শিশুর দাঁত উঠার বয়স, বিভিন্ন লক্ষণ, বিভিন্ন সমস্যা এবং করণীয়
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
প্রিয় পাঠক- আসসালামু আলাইকুম, প্রতিটি বাবা-মায়ের কাছে শিশুর দাঁত উঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেটা কি-না খুশির পাশাপাশি কিছুটা উদ্বেগের বিষয়ও বটে। সাধারণভাবে শিশুর জন্মের ৪ থেকে ৭ মাসের মধ্যে প্রথম দুধ দাঁত উঠতে শুরু করে। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে ৩ থেকে ১২ মাস সময়ও লাগে।
তাই আজকে এই আর্টিকেলটিতে আমাদের আলোচনার বিষয় হচ্ছে, ‘শিশুর দাঁত উঠার বয়স, বিভিন্ন লক্ষণ, বিভিন্ন সমস্যা এবং করণীয়’।
পেজ সূচিপত্রঃ শিশুর দাঁত উঠার বয়স, বিভিন্ন লক্ষণ, বিভিন্ন সমস্যা এবং করণীয়
- শিশুর দাঁত উঠার বয়স, বিভিন্ন লক্ষণ, বিভিন্ন সমস্যা এবং করণীয়
- শিশুর দাঁত উঠার সঠিক সময় কখন থেকে শুরু হয়
- শিশুর দাঁত উঠার বিভিন্ন লক্ষণ/সমস্যাসমূহ - জেনে নিন
- শিশুর দাঁত উঠার সময় জ্বর হলে কি ভয়ের কিছু - জানুন
- শিশুর দাঁত উঠার সময় যা যা করণীয় - দেখুন নিন
- শিশুর দাঁত উঠার সময় ডায়রিয়ার সমস্যা সম্পর্কে জানুন
- শিশুর দাঁত না উঠা বা দেরিতে উঠার কারণ জানুন
- প্রশ্ন উত্তরঃ শিশুর দাঁত উঠার বয়স, বিভিন্ন লক্ষণ, বিভিন্ন সমস্যা এবং করণীয়
- পোস্টের শেষ-কথাঃ শিশুর দাঁত উঠার বয়স, বিভিন্ন লক্ষণ, বিভিন্ন সমস্যা এবং করণীয়
শিশুর দাঁত উঠার বয়স, বিভিন্ন লক্ষণ, বিভিন্ন সমস্যা এবং করণীয়
শিশু জন্মের পর দাঁত উঠা এমন একটা বিষয় বা প্রক্রিয়া যেটার মাধ্যমে একটি শিশুর প্রথম দাঁতগুলো মাড়ি ভেদ করে জোড়ায় জোড়ায় প্রকাশিত হয় যা দুধ দাঁত নামে পরিচিত সকলের কাছে। দুধ দাতের সংখ্যা মোট ২০টি হয়ে থাকে। আর এই ২০টি দুধ দাঁত উঠতে সময় লাগে প্রায় ৩ বছর।
অতপর, শিশুর ৬ বছর বয়স থেকে পড়তে শুরু করে এর জায়গা নতুন স্থায়ী দাঁত উঠতে শুরু করে। আর সাধারণত ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সের মধ্যেই প্রায় সব দুধ দাঁত পড়ে যায়।
শিশুর দাঁত উঠার বয়স এর সাথে কিছু সাধারণ সমস্যা এবং লক্ষণ দেখা দেয়, বিশেষ করে দুধ দাঁত উঠার সময়। এই সময়ে শিশুরা অস্বস্তি অনুভব করতে পারে।
যেমন- মাড়িতে ব্যথা এবং ফোলা, অতিরিক্ত লালা, চিবানোর প্রবৃত্তি, কান্না এবং অস্থিরতা, জ্বর বা ডায়রিয়া।
তাই আজকে আমরা আর্টিকেলটিতে শিশুর দাঁত উঠার বয়স, বিভিন্ন লক্ষণ, বিভিন্ন সমস্যা এবং করণীয় কি এসব বিষয়ে আলোচনা করবো- ইন্শাল্লাহ্।
শিশুর দাঁত উঠার সঠিক সময় কখন থেকে শুরু হয়
সাধারণত শিশুর জন্মের ৪ থেকে ৭ মাসের মধ্যে প্রথম দুধ দাঁত উঠতে শুরু করে। আর ৩ বছর বয়সের মধ্যে প্রায় সব দুধ দাঁত উঠে যায়। এই সময়ে মোট ২০টি দুধ দাঁত প্রকাশিত হয়। শিশুর দুধ দাঁত (প্রাথমিক দাঁত) উঠার বিভিন্ন বয়স নিচে দেখুন-
- ৬–১২ মাস: নিচের সামনের দুটি কেন্দ্রীয় দাঁত
- ৯–১৮ মাস: উপরের সামনের কেন্দ্রীয় এবং পাশের দাঁত
- ১২–২৪ মাস: প্রথম দাঁত এবং ক্যানাইন
- ২–৩ বছর: দ্বিতীয় দাঁত।
যদি শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি বা মায়ের ক্যালসিয়ামের অভাব থাকে তাহলে দাঁত উঠতে দেরি হতে পারে।
আরার, দুধদাঁত পড়ে যাওয়ার পর স্থায়ী দাঁত গজায়, সাধারণত ৬ থেকে ১২ কি ১৩ বছর বয়সের মধ্যে। মোট ৩২টি স্থায়ী দাঁত প্রকাশিত হয়। শিশুর স্থায়ী দাঁত উঠার বিভিন্ন বয়স নিচে দেখুন-
- ৬–৮ বছর: প্রথম মোলার এবং নিচের সামনের দাঁত।
- ৮–১০ বছর: উপরের সামনের দাঁত এবং ক্যানাইন।
- ১০–১২ বছর: প্রিমোলার এবং দ্বিতীয় মোলার।
- ১৭–২৫ বছর: উইজডম টিথ (তৃতীয় মোলার), যা অনেক সময় ইমপ্যাক্টেড হয়।
শিশুর দাঁত উঠার বিভিন্ন লক্ষণ/সমস্যা সমূহ - জেনে নিন
যখন কোনও শিশুর প্রথম দাঁতটি তার মাড়ি থেকে বাইরে প্রকাশ পেতে শুরু করে,তখন সেই প্রক্রিয়াটিই দাঁত ওঠা নামে অভিহিত হয়ে থাকে। তবে এই প্রক্রিয়াটি সোনা মণির জন্য মোটেই আরামদায়ক কোনও প্রক্রিয়া নয়। তাই দাঁত উঠার সঠিক লক্ষণগুলি একবার আপনি জেনে গেলে,পরবর্তীতে যা হবে তা সামাল দেওয়ার ব্যাপারে আপনি প্রস্তুত থাকতে পারবেন।
শিশুর দাঁত উঠার সময় যে লক্ষণ/সমস্যাগুলো আমরা দেখতে পাই তা নিচে আলোচনা করা হলো-
- খেতে চায় না: শিশুর দাঁত উঠার প্রক্রিয়াটি ভীষণই যন্ত্রণাদায়ক,যা হয়ত শিশুকে বিপর্যস্ত করে তোলার কারণ হয়ে উঠতে পারে। এসময় শিশু একেবারেই কোনও কিছু খেতে বা পান করতে চায় না।
- খিটখিটেভাব: শিশুদের দাঁত উঠার প্রক্রিয়া চলাকালীন ছটফটে এবং উত্তেজিত হয়ে যায়, কারণ দাঁত মাড়ির পৃষ্ঠের মধ্যে ঠেলা দেয়।
- মাড়ি ফুলে যায়: যে স্থান দিয়ে দাঁত উঠবে, সেখানকার মাড়ি লালচে হয়ে ফুলে ওঠে ও নরম হয়ে যায়।
- কামড়ানো বৃদ্ধি পায়: যখনই দাঁত প্রকাশিত হতে শুরু করে তখনই শিশুর মাঝে অস্বস্তির সৃষ্টি করতে পারে, আর সেটিকে সামলে উঠার চেষ্টায় শিশু পাল্লা দিয়ে তার প্রিয় খেলনাগুলিকে কামড়ানো শুরু করে অথবা তার নিজের হাতের আঙ্গুলগুলির উপরেই কামড় দিয়ে চিবানোর চেষ্টা শুরু করে। তাছাড়া হাতের কাছে যা পায় তাই মুখে নিয়ে কামড়াতে থাকে।
- মুখ থেকে বেশিমাত্রায় লালা ঝরা: শিশুর দাঁত উঠা বুঝতে পারার এটি একটি দারুণ লক্ষণ। এই সময় প্রায়ই তাদের মুখ থেকে অতিরিক্ত মাত্রায় লালার নিঃসরণ শুরু হয়। যার পরিণতিতে আপনার শিশুর ডায়রিয়াও হতে পারে।
- মুখে র্যাশ বা ফুসকুড়ি দেখা যায়: শিশুর মুখ থেকে অনবরত লালা ঝরার আরেকটি ফল হল মুখের চারপাশের অঞ্চলটি সমানে ভিজে থাকা। এর ফলে ঐ অঞ্চলে শিশুর সূক্ষ্ম কোমল ত্বকে জ্বলন হতে শুরু করে এবং পরিণামে র্যাশ বা ফুসকুড়িগুলি দেখা দেয়।
- কম ঘুমায়: মুখের ভিতরে হওয়া তীব্র যন্ত্রণা শিশুটির সহজে ঘুমাতে পারে না। আর ঘুম না হওয়ার কারণে সে সমানে অস্থির হয়ে ওঠে এবং বিমর্ষ হয়ে পড়ে।
- কান টান এবং গাল ঠেলা: যে শিশুদের দাঁত উঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়, তাদের কান টানা অথবা থুতনি বা গাল ঘষার ঝোঁক থাকে ।
শিশুর দাঁত উঠার সময় জ্বর হলে কি ভয়ের কিছু - জানুন
শিশুর দাঁত উঠার কারণে জ্বর হয়- এমন কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি; তবে অভিভাবকদের মধ্যে এই বিশ্বাস অত্যন্ত প্রচলিত। যদিও শিশুর দাঁত উঠার সময় হালকা গরম ভাব বা সামান্য তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক, তবে ১০০.৪° ফারেনহাইট (৩৮° সেলসিয়াস) বা তার বেশি উচ্চ জ্বর দাঁত উঠার সরাসরি লক্ষণ নয়।
চিকিৎসকদের মতে, এই সময়ে বেশিমাত্রার জ্বর হলে তা সাধারণত কোনও সংক্রমণ বা অন্য কোনও অসুস্থতার কারণে হয়ে থাকে, তাই একে শুধু দাঁত উঠা বলে অবহেলা করা একেবারে ঠিক নয়। যদিও এটি হারপিস ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হতে পারে।
দাঁত উঠার সময়ই শিশুরা সাধারণত মায়ের কাছ থেকে পাওয়া হারপিস বিরোধী অ্যান্টিবডি সুরক্ষা হারাতে শুরু করে। উচ্চ তাপমাত্রা এবং মুখের র্যাশ অনেক সময় 'হিউম্যান হারপিস ভাইরাস ৬' সংক্রমণের কারণে হতে পারে, যা ২ বছর বয়সের মধ্যে ৯০% শিশুর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। হারপিস ভাইরাসের কারণে মুখে যে সমস্যাগুলো তৈরি হয়, তা অনেক সময় ভুলবশত দাঁত উঠার সমস্যা বলে মনে করা হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ জন্মের পর শিশুকে টিকাদান কতটা গুরুত্বপূর্ণ- বিস্তারিত আলোচনা
শিশুর দাঁত উঠার সময় যা যা করণীয় - দেখুন নিন
👉 শিশুদের দাঁত উঠার সময় করনীয় বা ব্যাথা কমানোর উপায়সমূহঃ
- দাঁত ওঠার সময় হাত-পা বা অন্যান্য কিছু কামড়ানো এড়াতে নিরাপদ চিউইং টয় দিন।
- মাড়ি ব্যথা কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ঠান্ডা চামচ বা চিউইং রিং ব্যবহার করুন।
- প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে আপনি শিশুর দাঁত উঠার সময় ব্যাথার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
- দাঁত গজানোর প্রক্রিয়া জীবাণুর আক্রমণের কারণ হতে পারে, যা মাড়ির স্নায়ুকে উদ্দীপিত করে, ফলে লোয়ার ইনফ্ল্যামেশন করলে শিশুর ব্যাথা হ্রাস পাবে।
- পালিও টাইপ খাবার দেওয়া খুব উপকারী । এতে তাজা ফল এবং সবজি, পেস্টুরাইজড মাংস এবং নারকেল মাখনের মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাটগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- ফর্মুলা এবং বুকের দুধের সাথে শিশুর বিশ্রাম ও স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করা উচিত।
- ঠান্ডা এবং চাপ দাঁত উঠার ব্যাথার সঙ্গে লড়াই করার জন্য এবং প্রতিকার হিসাবে দুটি চমৎকার এবং পুরনো কৌশল। অল্প বরফ বা কাপড়ের মত ঠান্ডা পদার্থ যন্ত্রণার এলাকা এবং চাপকে কমিয়ে মাড়ির শান্ত করতে সহায়তা করে।
- আপনি যদি কিছু ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে আপনার শিশুকে বিভ্রান্ত করতে পারেন, তারা কিছু সময়ের জন্য ব্যথা ভুলে যাবে।
- বেদনাদায়ক ব্যথাতে সাহায্য করার জন্য শিশুকে ঠান্ডা চামচে হিমায়িত ফল চিবানোর জন্য দিন ।
- কাঠের অমসৃণ অবস্থা শিশুর বেদনাকে প্রশমিত করার জন্য সুখকর হবে।
- কলা উত্তেজিত শিশুদের জন্য খুব ভালো, কারণ তা নরম হয় এবং শিশুর গলাতে আটকে যায় না।
- গাজর একটি অন্য উদ্ভিজ্জ, যা শিশুকে দেওয়া যেতে পারে, কারণ এটি চিবানোর জন্য যথেষ্ট কঠিন এবং যখন শিশুর দাঁত উঠা শুরু হয়, তখন আপনার শিশুকে সাহায্য করবে।
- আদা দাঁত উঠার ব্যথার নিস্পত্তির জন্য একটি দুর্দান্ত সমাধান হিসাবে কাজ করে, কারণ শিশু এই শক্ত বাইরের আবরণে কামড় দিতে পারে এবং নিজেকে শান্ত করতে পারে।
- দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবার নিয়মিত পরিষ্কার করুন।
শিশুর দাঁত উঠার সময় ডায়রিয়ার সমস্যা সম্পর্কে জানুন
শিশুর দাঁত উঠার সঙ্গে ডায়রিয়ার যোগসূত্রটি প্রবর্তিত, কারণ অনেক মা-বাবাই তাদের সন্তানের মধ্যে এটি হতে লক্ষ্য করেছেন। তবে এক্ষেত্রে এমন কোনও প্রমাণ নেই যা এর সত্যতাকে সমর্থন করে যে,দাঁত উঠার সাথে ডায়রিয়া অনিবার্যভাবেই সম্পর্কিত।
দাঁত উঠার সময় ডায়রিয়া হওয়ার আরেকটি কারণ হিসেবে আবার শিশুর দাঁত ওঠার সময়কালে তার মুখ থেকে লালা ঝরার ঘটনাটিকেও ভাবা হয়ে থাকে। দাঁত ওঠার সময় শিশুর মুখের ভিতরে লালা উৎপাদনটি আরও বেড়ে যায় এবং এই পর্যায়ে শিশুরা তাই প্রচুর লালা গিলেও ফেলে,যা গ্যাস্ট্রিক সিস্টেমের ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এবং পরিণাম স্বরূপ তাদের মধ্যে ডায়রিয়া দেখা দেয়।
তবে এটিকেই শিশুদের ডায়রিয়া হওয়ার একদম সঠিক কারণ হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে না।
আরো পড়ুনঃ গর্ভবতী মায়ের নিরাপদ উপায়ে ওজন বৃদ্ধির উপায় -সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা
শিশুর দাঁত না উঠা বা দেরিতে উঠার কারণ জানুন
👉 নিম্নে দাঁত না উঠা বা দেরিতে উঠার কারণ সমূহ দেওয়া হলো-
- মা-বাবার কিংবা পরিবারে কারও ছেলেবেলায় দাঁত দেরিতে উঠার সমস্যা থাকলে শিশুটিরও হতে পারে। এমন ইতিহাস থাকলে শিশুকে নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। আরও কিছুদিন অপেক্ষা করুন।
- যেসব শিশু ১০ মাসের আগেই বা কম ওজন নিয়ে জন্মায়, তাদের দাঁত দেরিতে উঠতে পারে ও এনামেলে ত্রুটি থাকতে পারে।
- কিছু জেনেটিক সমস্যা; যেমন- অ্যামেলোজেনেসিস ইম্পারফেক্টা (দাঁত ওঠার ধারাবাহিকতা না থাকা) ও রিজিওনাল ওডন্টোডিসপ্লাসিয়ার কারণে দাঁত দেরিতে উঠতে পারে এবং এতে দাঁতের গঠনও প্রভাবিত হতে পারে।
- অপুষ্টি, ভিটামিন বা খনিজ, বিশেষ করে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডির অভাবে কোনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে এমনটি হতে পারে। এ ছাড়া ডাউনস সিনড্রোম বা হাইপোথাইরয়েডের সঙ্গেও সংযুক্ত থাকতে পারে এটি।
প্রশ্ন উত্তরঃ শিশুর দাঁত উঠার বয়স, বিভিন্ন লক্ষণ, বিভিন্ন সমস্যা এবং করণীয়
পোস্টের শেষ-কথাঃ শিশুর দাঁত উঠার বয়স, বিভিন্ন লক্ষণ, বিভিন্ন সমস্যা এবং করণীয়
তবে সঠিক সময়ে মাড়ি পরিষ্কার রাখা, টিথার ব্যবহার করা এবং অতিরিক্ত সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার মাধ্যমে শিশুকে এই সময়ে আরাম দেওয়া সম্ভব। বাবা-মায়ের একটু বাড়তি মনোযোগ, ভালোবাসা ও সচেতনতাই পারে শিশুর প্রথম হাসিকে সুস্থ ও ব্যথামুক্ত করে তুলতে।
বি: দ্র: এই পোস্টটি বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আপনার সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি মাত্র। আশা করি, উপকৃত হবেন। ভালো থাকবেন। আর ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।




গ্রো কেয়ার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url