বর্ষাকালে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
প্রিয় পাঠক- আসসালামু আলাইকুম, আমাদের দেশে ঋতুর পালা বদলে গ্রীষ্মের পর আসে বর্ষা। আর এই বর্ষায় প্রকৃতির পট-পরিবর্তনের সময় হুট করে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে শিশুরা। শিশুর সুস্থতায় এই সময় বাড়তি খেয়াল রাখা চাই।
যেমন- শিশুর পরিচ্ছন্নতা, পোশাকের ধরন, খাদ্যাভ্যাস, প্রতিদিনের যত্ন আর এসবের পাশাপাশি তার ব্যবহৃত কাপড়গুলোর দিকেও নজর দিতে হবে। তাই আজকের আর্টিকেলটিতে আলোচনা বিষয় হচ্ছে, ‘বর্ষাকালে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ’।
পেজ সূচিপত্রঃ বর্ষাকালে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ
- বর্ষাকালে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ
- বর্ষাকালে শিশুকে সুস্থ রাখতে মশার কামড়- সুরক্ষায় করণীয়
- বর্ষাকালে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ান আপনার শিশুকে
- বর্ষাকালে আপনার শিশুকে যেভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন জেনে রাখুন
- বর্ষাকালে শিশুকে সুস্থ রাখতে হাল্কা পোশাক পরান
- বর্ষায় আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে বাড়ি-ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন
- বর্ষাকালে সর্দি-কাশি থেকে শিশুকে সুস্থ রাখবেন যেভাবে
- বর্ষাকালে শিশুকে সুস্থ রাখতে ঘরের তাপমাত্রা ঠিক রাখুন
- বর্ষাকালে শিশুকে সুস্থ রাখতে ভিড় এড়িয়ে চলুন
-
প্রশ্ন ও উত্তরঃ বর্ষাকালে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ
- পোস্টের শেষ-কথাঃ বর্ষাকালে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ
বর্ষাকালে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ
কারণ- বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা অত্যধিক হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটে। বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় এবং মশার উপদ্রবও এই সময় বেড়ে যায়। তাই বর্ষাকালে শিশুদের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
শিশু বিশেষজ্ঞ এবং চিকিৎসকেরা বর্ষায় শিশুদের অতিরিক্ত যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেন। শিশু যাতে কোনওভাবে যেন অসুস্থ না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে মা-বাবাকেই।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাঈদা আনোয়ার জানালেন, এই সময় শিশুদের নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস (শ্বাসতন্ত্রের এক ধরনের প্রদাহ), ডায়রিয়া, টাইফয়েড, জন্ডিস এবং কিছু চর্মরোগ হতে দেখা যায়। ডেঙ্গুজ্বরও হচ্ছে। তবে একটু সচেতন থাকলে এ রোগগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব।
আজকে আমাদের এই আর্টিকেলটিতে, বর্ষাকালে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হলো-
আরো পড়ুনঃ আপনার শিশুর কি হাম হয়েছে? লক্ষণ, যত্ন ও প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
বর্ষাকালে শিশুকে সুস্থ রাখতে মশার কামড়- সুরক্ষায় করণীয়
মশার কামড় শিশু বা নবজাতকের মধ্যে তীব্র অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে। শরীরের বিভিন্ন অঞ্চলে লাল ফোলাভাব সৃষ্টি করতে পারে। তাই নিম্নোক্ত কিছু উপায় অবলম্বন করলে শিশুকে মশার কামড় থেকে সুরক্ষা করা সম্ভব হবে-
- সর্বদা আপনার বাড়ির চারপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করে রাখুন।
- সবসময় একটি মশা তাড়ানোর ক্রিম প্রয়োগ করুন, যা একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- আপনার সন্তান যখনই বাইরে যাবে তখন লম্বা হাতার পোশাক এবং পূর্ণ দৈর্ঘ্যের প্যান্ট পরিয়ে রাখুন।
- ঘুমার সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।
- আপনার চারপাশকে স্পিক এবং স্প্যান রাখুন।
- অ্যালোভেরা: অ্যালভেরা বা ঘৃতকুমারী চুলকানি,ফুলে যাওয়া,যন্ত্রণার চিকিৎসার জন্য পরিচিত এবং এর প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক গুণাবলী রয়েছে যা এটিকে একটি ভাল ঘরোয় প্রতিকার করে তুলেছে শিশুদের মশার কামড়ের চিকিৎসার জন্য।
- মধু: প্রদাহ দূরীকরণের এবং মশার কামড়ে আক্রান্ত এলাকাকে প্রশমিত করার জন্য মধু খুবই পরিচিত।
- রসুন: মশা কামড়ের ফলে শিশুর দেহ প্রদাহ হয় এবং ফুলে যায়। এক্ষেত্রে, আপনি এটিকে ব্যবহার করতে পারেন। মশার কামড়ানো জায়গাটির উপর সেটিকে ঘষে দেওয়ার বেশ কয়েক মিনিট অপেক্ষা করার পর আপনার শিশুর ত্বকটিকে পানি দিয়ে ধুয়ে দিন।
- অ্যাপেল সীডার ভিনিগার: বাথ টাবে পানির সাথে দুই অথবা তিন কাপ অ্যাপেল সীডার ভিনিগার যোগ করে সেটির দ্বারা একটি উষ্ণ বাথ,আপনার শিশুর দেহে একাধিক মশার কামড়ের বিরুদ্ধে একটি বিস্ময়কর ভাবে কাজ করবে।
- সামুদ্রিক লবণ: সামুদ্রিক লবণে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় প্রদাহ বিরোধী এবং অ্যান্টিসেপ্টিক বৈশিষ্ট্যাবলী,যা তাকে গড়ে তুলেছে শিশুদের জন্য একটি সহজ এবং আশ্চর্যজনক মশার কামড়ের প্রতিকার রূপে।
- বেকিং সোডা: মশার কামড়ের ফলে শিশুর দেহে চুলকানি দেখা দেয়। এক্ষেত্রে, কেবল এক চা-চামচ বেকিং সোডাকে ১ কাপ পানির মধ্যে দ্রবীভূত করলে সেটি একাই তৎক্ষণাৎ চুলকানি হ্রাস করবে! শুধুমাত্র একটি পরিষ্কার কাপড়কে এর মধ্যে ডুবিয়ে নেওয়ার পর সেটিকে ১০-১২ মিনিটের এর জন্য ত্বকের উপরে প্রয়োগ করুন।
আরো পড়ুনঃ প্রতিদিন শিশুকে ডিম খাওয়ালে কি হয়
বর্ষাকালে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ান আপনার শিশুকে
তাছাড়া,
- বর্ষাকাল ডায়রিয়া এবং টাইফয়েডের মতো বিভিন্ন পানি বাহিত রোগের কারণ। তাই সবসময় ফিল্টার করা পানি বা ফুটানো পানি ব্যবহার করতে হবে।
- খাবার সবসময় ঢেকে রাখবেন এবং কখনই খোলা রাখবেন না কারণ এটি জীবাণুর প্রজনন ক্ষেত্র হয়ে উঠবে।
- সব জীবাণু থেকে পরিত্রাণ পেতে লবণ পানি বা গরম পানি দিয়ে ফল ও সবজি ভালো করে ধুয়ে নিন।
- শুধুমাত্র তাজা প্রস্তুত খাবার গ্রহণ করুন।
- এই ঋতুতে, আপনাকে অবশ্যই আপনার শিশুদের গরম খাবার এবং গরম পানীয় যেমন স্বাস্থ্যকর সবজির স্যুপ, গরম দুধ ইত্যাদি খাওয়াতে হবে যাতে গলার সমস্ত সমস্যা এড়াতে পারে।
বর্ষাকালে আপনার শিশুকে যেভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন জেনে রাখুন
- নিয়মিত গোসল করানো: শিশুদের সুস্থতার প্রথম শর্তই হলো নিয়মিত গোসল। একটু ঠান্ডা পড়লেই অনেকে শিশুকে গোসল করাতে চান না। এটা ঠিক নয়; বরং শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতিদিন গোসল করাতে হবে।
গোসল না করালে শরীরে র্যাশ, চুলকানি, ছত্রাকের সংক্রমণসহ নানা ধরনের চর্মরোগ দেখা দিতে পারে। ঠান্ডা থাকলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করিয়ে দিন।
গোসলের সময় শিশুর গলার নিচে, ঘাড়, বগল, হাঁটুর ভাঁজ ইত্যাদি জায়গা পরিষ্কার করে দিন।
- হাত ধোয়া: শিশুর মধ্যে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। শীত-গরম যাই থাকুক, বাইরে থেকে এসে ও খাওয়ার আগে শিশুকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ায় অভ্যস্ত করুন, তবে হাত ধোয়ারও নিয়ম আছে।
👉 দুই হাতের তালু পরস্পর, ডান হাতের তালু বাম হাতের পিঠে, বাম হাতের তালু ডান হাতের পিঠে, এক হাতের আঙুলের পিঠ অন্য হাতের তালুতে, এক হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি অন্য হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে, দুই হাতের তালু পরস্পর ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে হাত ঘষে পরিষ্কার করতে হবে। শিশুকে এই নিয়মে হাত ধোয়া শেখাতে চেষ্টা করুন।
নিয়মিত নখ কাটা ও পরিষ্কার করা: নিয়মিত আপনার শিশুর হাতের নখ কাটা ও নখের পরিষ্কার করা উচিত। নখের ময়লা থেকে হতে পারে অনেক রোগ। তাই নখ ছোট ও পরিষ্কার রাখা শিশুকে শেখাতে হবে। অনেক শিশুকে দেখা যায় দাঁত দিয়ে নখ কাটতে, যা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। খেয়াল রাখবেন যেন এ বদ অভ্যাস শিশুর না হয়।
আরো পড়ুনঃ জন্মের পর শিশুকে টিকাদান কতটা গুরুত্বপূর্ণ- বিস্তারিত আলোচনা
বর্ষাকালে শিশুকে সুস্থ রাখতে হাল্কা পোশাক পরান
আপনার সোনামণিকে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচাতে দিনের বেলাতেও হালকা ও ঢিলেঢালা ফুল হাতা শার্ট এবং ফুল প্যান্ট পরানো উচিত। তবে নবজাতকদের ক্ষেত্রে হাতকাটা জামা ভালো, যাতে জামার ভাঁজে ঘাম জমে র্যাশ না হয়।
তাছাড়া, সহজেই অপরিষ্কার হয়ে যায় বলে শিশুদের পোশাক একটু বেশি লাগে। বর্ষার সময় কাপড় শুকাতেও অসুবিধা হয়। শিশুকে পরিচ্ছন্ন পোশাক পরানোর জন্য তাই কয়েক সেট বাড়তি পোশাক রাখা ভালো।
প্রি-স্কুল শিশুদের জন্য এমন পোশাক বেছে নিন, যা ওরা নিজেরাই পরতে ও বদলাতে পারবে। চেইন বা হুক দেওয়া পোশাক ওদের জন্য ভালো নয়। ইলাস্টিকযুক্ত প্যান্ট দিতে পারেন।
শিশুকে কোনো অবস্থায়ই ভেজা কাপড় পরানো যাবে না। সব বয়সী শিশুর ক্ষেত্রেই ভারী জিনস প্যান্ট ও ভারী গ্যাবার্ডিনের পোশাক এই সময়ে এড়িয়ে চলা ভালো। বুননের কারণে এসব কাপড় সহজে শুকায় না।
তবে প্রি-স্কুল বয়স থেকে শুরু করে আরেকটু বেশি বয়সী বাচ্চাদের হালকা ওজনের গ্যাবার্ডিনের প্যান্ট বা পাতলা জিন্স পরানো যেতে পারে।
আরো পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় মায়েদের ১ম ৩ মাস - বিশেষ কিছু খাবারের পরামর্শ
বর্ষায় আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে বাড়ি-ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন
মশা ও অন্যান্য পোকা-মাকড় তাড়াতে কীটনাশক ব্যবহার করুন। এক দিন পর পর ব্লিচিং পাউডার ও কার্বলিক অ্যাসিড ছড়ান বাড়ির চার পাশে। এছাড়া করোনা সংক্রমণ এড়াতে বাড়ির মেঝে, বাগান, বাথরুম এবং ছাদ পরিষ্কার রাখুন। কোথাও পানি জমতে দেবেন না।
যতটা সম্ভব স্যাঁতস্যাঁতে ভাব থেকে দূরে থাকুন। যেসব জায়গা বেশি স্পর্শ করা হয় সেখানে পানিতে ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে পরিষ্কার রাখুন।
বর্ষাকালে সর্দি-কাশি থেকে শিশুকে সুস্থ রাখবেন যেভাবে
বর্ষার এই সময়ে ঘন ঘন বৃষ্টি আর স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশের কারণে জমে থাকা পানিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি ঘটে থাকে। আর কোনভাবে শিশুরা এর সংস্পর্শে এলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সর্দি-কাশি, জ্বর তো আছেই। এসবের পাশাপাশি দেখা দেয় ডায়রিয়া, টাইফয়েডের মতো নানা পানিবাহিত রোগ।
তাছাড়া ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মোট ভয়াবহ রোগতো আছেই। তাই বর্ষার এই মৌসুমে বাড়ির শিশুদের ছোট-বড় নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে বাবা-মায়েদের সদা সতর্ক থাকতে হবে। সন্তানদের সুস্থ রাখতে তাঁদের কিছু দিকে নজর ফেরাতে হবে।
বর্ষাকালে শিশুকে সুস্থ রাখতে ঘরের তাপমাত্রা ঠিক রাখুন
বর্ষাকালে শিশুকে সুস্থ রাখতে ঘরের তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন। তাপমাত্রা যাতে খুব বেশি গরম বা বেশি ঠান্ডা না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শিশুর বিছানায় হালকা সুতির চাদর ব্যবহার করুন। রাতে যদি শিশুর ঠান্ডা লাগে, তাহলে তার গায় কিছু দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন।
বর্ষাকালে শিশুকে সুস্থ রাখতে ভিড় এড়িয়ে চলুন
আমাদের দেশে বর্ষাকালে একদিকে যেমন পানি আর পানি, ভেজা বা স্যাঁতস্যাঁতেভাব, তার উপর আবার বিভিন্ন সংক্রমণের ভয়। তাই শিশুদের যতটা সম্ভব ভিড় অর্থাৎ যেখানে লোকজন বেশি থাকে সেখান থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। বিশেষ প্রয়োজন না থাকলে শিশুকে বাড়ির বাইরে বের করা উচিত নয়।
প্রশ্ন ও উত্তরঃ বর্ষাকালে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ
পোস্টের শেষ-কথাঃ বর্ষাকালে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ
পরিশেষে বলা যায় যে, গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমের পর- বর্ষাকাল যেমন স্বস্তি নিয়ে আসে, তেমনি শিশুদের জন্য বয়ে আনে নানাবিধ স্বাস্থ্য-ঝুঁকি। আর এমতাবস্থায়, সঠিক সচেতনতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সুষম খাদ্যা-ভ্যাসের মাধ্যমে শিশুকে এই ঋতুতেও সম্পূর্ণ সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখা সম্ভব। পক্ষান্তরে সামান্য অবহেলা বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই শিশুর যেকোনো শারীরিক অসুস্থতায় অবহেলা না করে দ্রুত রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। যাই হোক, মূল-কথা হলো- সুস্থাই বা ভালো স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।




গ্রো কেয়ার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url