স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
প্রিয় পাঠক- আসসালামু আলাইকুম, বর্তমানে মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী স্মার্টফোন। ছোট-বড় সব বয়সী মানুষই ব্যবহার করছেন এটি। শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যমই নয়, আরও অনেক কাজে ব্যবহার হচ্ছে স্মার্টফোন। আর এজন্য একটি ভালো ব্যাটারির প্রয়োজন। প্রতিটি ব্যাটারির একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে।
স্মার্টফোনের ব্যাটারির ক্ষেত্রেও তাই। স্মার্টফোন ব্যবহারের ধরনের ওপর এর ব্যাটারির আয়ু নির্ভর করে। তাই আজকে আমরা এই আর্টিকেলে ‘স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬’ নিয়ে আলোচনা করবো।
পেজ সূচিপত্রঃ স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬
- স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬
- স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘদিন যেভাবে ভালো রাখবেন- চলুন জানি
- স্মার্টফোনের ব্যাটারি বেকাপ ভালো রাখতে পারবেন যেসব উপায়ে- জেনে নিন
- স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো আছে কিনা বুঝবেন কিভাবে? চলুন জানি
- প্রশ্ন ও উত্তরঃ স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬
- পোস্টের শেষ-কথাঃ স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬
স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬
শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম অর্থাৎ কল আর টেক্সট করার জন্যই নয়, আজকাল বিনোদনের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবেও হাতের স্মার্টফোনটির ভূমিকা অনস্বীকার্য। যেমন- সিনেমা দেখা, সোশ্যালমিডিয়ায় ব্যবহার করা, অনলাইন বিজনেস করা, গান শোনা বা ছবি তোলার জন্য স্মার্টফোনের উপরেই নির্ভর করি আমরা। এই বহুবিধ ব্যবহারের কারণে অনেক সময় খুব দ্রুতই চার্জ শেষ যায় ফোনের।
তাছাড়া আরও অনেক কারণেও দ্রুত ফোনের ব্যাটারি শেষ হয়ে যেতে পারে। আমরা প্রায়ই ব্যাটারি চার্জ করার সময় এমন কিছু অভ্যাস করি যা ফোনের জীবনকাল কমিয়ে দেয়। যদিও সকল স্মার্টফোনের ব্যাটারি সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে পুরনো হয়ে যায়, কিছু সাধারণ ভুল প্র্যাকটিস এই প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে তোলে।
সারাদিন কাজকর্মের পর অধিকাংশ লোকই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফোন চার্জে বসিয়ে দেন। কিন্তু এর ফলে ফোনটি ফুল চার্জ হয়ে যাওয়ার পরেও অ্যাডাপ্টারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। যাতে ধীরে ধীরে ব্যাটারির ওপর চাপ পড়ে এবং সেটির ক্ষতি হতে থাকে।
তবে স্মার্টফোনের ব্যাটারি লাইফ বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। যেমন, ব্যাক-গ্রাউন্ড অ্যাপ্লিকেশনের সংখ্যা, ব্যবহারের ধরন ইত্যাদি। তবে ফোনের ব্যাটারি ঠিক না থাকলে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।
ব্যবহারকারীরা চান স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ অনেক সময় ধরে থাকুক এবং দ্রুত পুরোটা (১০০%) চার্জ হয়ে যাক। স্মার্টফোন নির্মাতারাও বিষয়টি মাথায় রেখে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। তাই আজকে আমরা স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬ নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো-
আরো পড়ুনঃ বাচ্চাদের জন্য উপযোগী কোন ধরণের স্মার্টফোন কিনবেন?
স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘদিন যেভাবে ভালো রাখবেন- চলুন জানি
দিনের বেশিরভাগ সময়ই আমরা প্রয়োজন এবং অপ্রয়োজনে স্মার্টফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে কাটিয়ে দেই। এর কারণে স্মার্টফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তাছাড়া, কিছু ভুল ব্যবহারের কারণেও স্মার্টফোনের ব্যাটারি তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। অনেক কারণেই আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারিটি নষ্ট হতে পারে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যাটারি নষ্ট হওয়ার পিছনে আমাদের অসচেতনতাই দায়ী।
স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘদিন যেভাবে ভালো রাখবেন- চলুন, তা জেনে নেওয়া যাক-
- স্ক্রিন ব্রাইটনেস: স্ক্রিন ব্রাইটনেস বাড়ানো থাকলে সাধারণত সর্বাধিক শক্তি খরচ করে এবং এটি দ্রুত ব্যাটারি লাইফ কমে যাওয়ার অন্যতম বড় কারণ। স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখলে ব্যাটারির শক্তি কম খরচ হয়। যা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বাড়িয়ে তুলতে পারে।
- স্ক্রিনের টার্ন-অফ টাইম কমানো: স্মার্টফোনে ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারভাল টাইম দেওয়া থাকে। সে সময়ে ফোনের স্ক্রিন নিজেই বন্ধ হয়ে যায়। এটি যত কমিয়ে আনা যায় ফোনের ব্যাটারি তত ভালো থাকে।
- ব্রাইটনেস লেভেল অটোমেটিক রাখুন: বর্তমানে আধুনিক স্মার্টফোনে একটি অ্যাম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সর রয়েছে যা আশপাশের আলোর ওপর ভিত্তি করে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামঞ্জস্য বজায় রাখে। যার ফলে আশে পাশের আলো অনুযায়ী ফোনের ব্রাইটনেস কাজ করে। যা ব্যাটারি লাইফকে ঠিক রাখে এবং চার্জ অনেক সময় পর্যন্ত কমে যায় না।
- ফোনের ভাইব্রেশন বন্ধ রাখুন: রিংটোনের চেয়ে ভাইব্রেশনে বেশি শক্তি অপচয় হয়। তাই যতটুকু সম্ভব ফোনের ভাইব্রেশন বন্ধ রেখে রিংটোন ব্যবহার করাই ভালো। এটি ব্যাটারি লাইফকে উন্নত রাখবে।
- পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করুন: অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট-ফোনগুলোতে পাওয়ার-সেভিং মোড থাকে। এটি ব্যাকগ্রাউন্ড পরিষেবাগুলো বন্ধ করে, স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কম রাখে এবং কিছু ক্ষেত্রে সিপিইউ কর্মক্ষমতা হ্রাস করে ব্যাটারি লাইফ বাড়িয়ে তোলে।
- সিল্ক সেটিংস: ইমেইল এবং সোশ্যাল মিডিয়া আপডেটের মতো ডেটা সিল্ক প্রচুর শক্তি ব্যবহার করে। ওয়াই ফাই সংযুক্ত থাকাকালীন ঘন ঘন সিঙ্ক বন্ধ রাখুন।
- ডার্ক মোড ব্যবহার করুন: ডার্ক মোড ব্যবহার করাব হলে ব্যাটারি অপচয় কম হয়ে থাকে। তাই ডার্ক মোডে ফোন ব্যবহার করতে পারেন।
- ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ রাখুন: ব্যাকগ্রাউন্ডে ব্যবহৃত অনেক অ্যাপ রয়েছে যা উচ্চ মাত্রায় ব্যাটারি খরচ করে। এইগুলো বন্ধ করে রাখার জন্য স্মার্টফোনে অপশন রয়েছে। ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ রাখুন। এটি আপনার ব্যাটারি লাইফ ঠিক রাখতে বেশ কার্যকরী।
- ভাইব্রেশন বন্ধ রাখা: আমরা অনেকেই ফোনের ভাইব্রেশন অপশনটি চালু রাখি। এমনকি টাচ ভাইব্রেশনও অন করে রাখি। ভাইব্রেশন কাজ করে মূলত ফোনের ভেতরে থাকা ছোট একটি মোটর চলার মাধ্যমে। তাই এতে অনেক বেশি চার্জ খরচ হয়। তাই আপনার ফোনটি ভাইব্রেশন মুডে না রেখে জেনারেল অথবা সাইলেন্ট মুডে রাখুন।
স্মার্টফোনের ব্যাটারি বেকাপ ভালো রাখতে পারবেন যেসব উপায়ে- জেনে নিন
- ফোনের অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করুন: সাধারণত ফোনের চার্জার নষ্ট হয়ে গেলে আমরা নতুন চার্জার কিনি। আর এই কেনার সময়েই আমরা আপোস করে ফেলি - দাম কম বলে হাতের কাছে যা পাই তাই কিনে ফেলি। দয়া করে আপনার ফোনের নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঠিক চার্জারটি কিনুন।
- দীর্ঘ সময় ফোন চার্জে রাখা উচিত নয়: রাতে ফোন চার্জে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়া আমাদের মধ্যে অনেকেরই অভ্যাস। এভাবে সারারাত ফোন চার্জে লাগানো থাকে। ফলে ব্যাটারি নির্দিষ্ট পরিমাণ চার্জ হওয়ার পরও অতিরিক্ত লোড নিতে থাকে। এতে ব্যাটারি গরম হয়ে যায়। এভাবে অল্প কয়েকদিন চলতে থাকলে ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায়।
- চার্জে লাগিয়ে ফোন ব্যবহার বন্ধ করুন: ফোন ব্যবহারে আমাদের বাজে অভ্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো চার্জে লাগিয়েই ফোন ব্যবহার করি। এটি শুধু ব্যাটারির জন্যই না আপনার ফোনের জন্যও বেশ ক্ষতিকর। অনেকেই আছেন চার্জে লাগিয়েই ফোনে কথা বলেন। এটি ব্যক্তির মস্তিষ্কেও ক্ষতিসাধন করে থাকে। এমনকি ফোন বিস্ফোরণের মতো মারাত্মক ঘটনাও ঘটতে পারে চার্জে লাগিয়ে ফোন ব্যবহারের কারণে। ইতোমধ্যে যার প্রমাণ আমরা নিউজপেপার ও ফেসবুকে প্রায়ই দেখতে পাই।
- ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, জিপিএস: এই সংযোগ তিনটি প্রয়োজন না থাকলে বন্ধ করে রাখুন। এর ফলে ব্যাটারি সাশ্রয় করা সম্ভব হবে অনেকটাই।
- ক্যামেরার অতি ব্যবহার কমানো: সব স্মার্টফোনেই ক্যামেরা থাকে আর দিনদিন ক্যামেরার ক্ষমতা বাড়ছে মেগাপিক্সেলে, ফ্রেম পার সেকেন্ড হিসেবে। এর ফলে আধুনিক মোবাইল ফোনের ক্যামেরা আগের ক্যামেরাগুলোর চেয়ে বেশি শক্তি খরচ করে। কাজেই, ক্যামেরার ব্যবহার কমিয়ে আনুন, ব্যাটারি টিকবে অনেকক্ষণ।
- ব্যবহার শেষে অ্যাপ বন্ধ করে রাখুন: আমরা স্মার্টফোনে একসঙ্গে একাধিক কাজ করি। হয়তো ফেইসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দেখছি, পাশাপাশি গানও শুনছি। এমন করতে গিয়েই দেখা যায় ফোনে একসঙ্গে অনেকগুলো অ্যাপ চলছে। এটি হতে পারে ব্যাটারি খরচের অন্যতম কারণ। অনেক অ্যাপই প্রতিনিয়ত আপনার অজান্তেই সার্ভার বা সেবার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখে। এতে ব্যাটারি খরচও বাড়ে।
- দুর্বল সিগনালে মোবাইল ডেটা বন্ধ রাখুন: স্মার্টফোনে মোবাইল সিগনাল দুর্বল দেখালে মোবাইল ডেটা ব্যবহার বন্ধ করে দিন। কারণ এই অবস্থায় ডেটা ট্রান্সফার বজায় রাখার জন্য ফোনের শক্তি খরচ অনেক বেড়ে যায়।
স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো আছে কিনা বুঝবেন কিভাবে? চলুন জানি
সাধারণভাবে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা ফোনের ব্যাটারি দিকে অনেক মনোযোগ দিয়ে থাকেন। তবে দুঃখের বিষয় হলো নতুন ফোন কেনার কিছুদিন পরেই ব্যাটারি ক্ষয় হতে থাকে। অর্থাৎ, ফোনে ব্যাকআপ কমে যায়। এর আসল কারণ হলো নিয়মিত চার্জিং করলে স্বাভাবিকভাবেই ফোনের ব্যাটারি খারাপ হতে থাকে। পুরাতন ব্যাটারি একটি নতুন ফোনের চেয়ে দ্রুত ডিসচার্জ করে। এই কারণেই ফোনের ব্যাটারি বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত। যাতে আমরা দীর্ঘ বেকআপ পাই।
আর এর জন্য আপনাকে আপনার ফোনের ব্যাটারির স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দেওয়া খুবই
গুরুত্বপূর্ণ। Android স্মার্টফোনের ব্যাটারি স্বাস্থ্য নিরীক্ষণের জন্য বিশেষ
কোন ব্যবস্থা নেই। তবে কিছু কৌশলে স্মার্টফোনের ব্যাটারি স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ
করতে পারবেন। এটির মাধ্যমে, আপনি দীর্ঘ সময়ের জন্য আপনার ফোনের ব্যাটারি লাইফ
উন্নত করতে পারবেন। নিম্নে তা আলোচনা করা হলোঃ
- ফোনের ব্যাটারি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার উপায়: অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে ব্যাটারির স্বাস্থ্য পরীক্ষার করার জন্য বিল্ট-ইন-মনিটর নেই। তাই এমন পরিস্থিতিতে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের ব্যাটারি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করতে হবে, যেখান থেকে তারা তাদের স্মার্টফোনের ব্যাটারি স্বাস্থ্য সম্পর্কে তথ্য পেতে পারেন।
- সেটিং মেনু ব্যবহার করে: অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে আপনি সেটিং মেনুতে গিয়ে ব্যাটারির স্থিতি পরীক্ষা করতে পারেন। সেটিং মেনুতে নেভিগেশন বিকল্পগুলো আপনার অ্যান্ড্রয়েড বিল্ড এবং সংস্করণের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।
- ডায়াল কোডের সাহায্যে: খুব কম লোকই জানেন যে লুকানোর ডায়াগনস্টিক মেনুগুলো একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোনে একটি কোড ডায়াল করে এক্সেস করা যেতে পারে।
- থার্ড পার্টি অ্যাপের সাহায্যে: যদি উপরে উল্লিখিত সমাধানগুলি আপনাকে ফোনের ব্যাটারি স্বাস্থ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য না দেয়, তাহলে আপনি গভীর বিশ্লেষণের জন্য ফোনে AccuBattery-এর মতো তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ইনস্টল করতে পারেন। এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি ব্যাটারি ব্যবহারের তথ্য, ব্যাটারির ক্ষমতা, তাপমাত্রা এবং অন্যান্য তথ্য পাবেন। তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাটারির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন৷
প্রশ্ন ও উত্তরঃ স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬
পোস্টের শেষ-কথাঃ স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬
পরিশেষে, ‘স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার সেরা কিছু টিপস ২০২৬’ শিরোনামের আর্টিকেলটি আলোচনা করে আমরা বলতে পারি যে, স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার জন্য আর্টিকেলে উল্লেখিত কিছু ছোট অভ্যাস বা টিপস অনুসরণ করা জরুরি। আপনি যদি এইসব পদ্ধতি নিয়মিতভাবে অনুসরণ করেন, তবে আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং আপনি আরো বেশি সময় ফোনটি ব্যবহার করতে পারবেন।
ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধি করার জন্য সচেতনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আধুনিক জীবনে স্মার্টফোন ছাড়া এক মুহূর্তও আমাদের চলা কঠিন।


গ্রো কেয়ার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url