রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের (মাগফিরাতের) দোয়া ও তাৎপর্যপূর্ণ আমলসমূহ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
প্রিয় পাঠক- আসসালামু আলাইকুম, পবিত্র রমজান মাসের সিয়াম সাধনার দ্বিতীয় ১০ দিনকে বলা হয় মাগফিরাতের দশক অর্থাৎ ১১ থেকে ২০ রোজা পর্যন্ত মাগফিরাত, যার অর্থ ক্ষমা। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মাহে রমজানের প্রতি রাতেই একজন ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, 'হে পুণ্য অন্বেষণকারী! অগ্রসর হও। হে পাপাচারী! থামো, চোখ খোলো।’
তিনি আবার ঘোষণা করেন, 'ক্ষমাপ্রার্থীকে ক্ষমা করা হবে। অনুতপ্তের অনুতাপ গ্রহণ করা হবে, প্রার্থনাকারীর প্রার্থনা কবুল করা হবে।’ তাই আজকের আর্টিকেলের আলোচনার বিষয় হচ্ছে, ‘রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের (মাগফিরাতের) দোয়া ও তাৎপর্যপূর্ণ আমলসমূহ’।
পেজ সূচিপত্রঃ রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের দোয়া ও তাৎপর্যপূর্ণ আমলসমূহ
- রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের (মাগফিরাতের) দোয়া ও তাৎপর্যপূর্ণ আমলসমূহ
- মাগফিরাতের দশকে কোন দোয়া বেশি বেশি করবেন? জেনে নিন
- রমজানের দ্বিতীয় দশকে (মাগফিরাত) কোন আমলগুলো বেশি বেশি করবো?
- পোস্টের শেষ-কথাঃ রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের (মাগফিরাতের) দোয়া ও তাৎপর্যপূর্ণ আমলসমূহ
রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের (মাগফিরাতের) দোয়া ও তাৎপর্যপূর্ণ আমলসমূহ
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজান মোবারক। আমাদের প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের প্রথম ১০ দিন রহমতের, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাত লাভের এবং তৃতীয় ১০ দিন জাহান্নাম থেকে মুক্তিলাভের।’ (মিশকাত)
এ মাসে যখন একজন রোজাদার সারা বছরের নেকি ও পুণ্যের ঘাটতি পূরণের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা-সাধনা চালিয়ে যান এবং মাগফিরাতের ১০ দিনও অতিবাহিত করেন, তখন আল্লাহ তার গুনাহ-খাতা মাফ করে দেন। মাহে রমজানের প্রতি দিন-রাতেই অনেক মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং দোয়া কবুল হয়।
পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহর দরবারে মাগফিরাত কামনা করলে, গরিব-দুঃখীদের প্রতি দান-সদকার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে, নিজে সব ধরনের খারাপ কাজ পরিহার করলে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আসকার, তাসবিহ-তাহলিল, কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া-ইস্তেগফার করলে, মহান আল্লাহ তা অবশ্যই কবুল করেন।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘এ মাসে চারটি কাজ অবশ্যকরণীয়। দুটি কাজ এমন যে, তার দ্বারা তোমাদের প্রতিপালক সন্তুষ্ট হন। অবশিষ্ট দুটি এমন, যা ছাড়া তোমাদের কোনো গত্যন্তর নেই। এই চারটির মধ্যে একটি হলো কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা, দ্বিতীয়টি হলো অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা। এ দুটি কাজ আল্লাহর দরবারে অতি পছন্দনীয়।
তৃতীয় ও চতুর্থ হলো জান্নাত লাভের আশা করা ও জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণের প্রার্থনা করা। এ দুটি এমন বিষয়, যা তোমাদের জন্য একান্ত প্রয়োজন।’ (ইব্নে খুজাইমা)
তাই আজকে আমরা আর্টিকেলটিতে রমজানুল মোবারকের দ্বিতীয় ১০ দিনের দোয়া ও তাৎপর্যপূর্ণ কিছু আমলসমূহ নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো-
আরো পড়ুনঃ দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত
মাগফিরাতের দশকে কোন দোয়া বেশি বেশি করবেন? জেনে নিন
রমজানের দ্বিতীয় (মাগফিরাতের) দশকে আল্লাহর কাছে প্রত্যেক মুমিনের বেশি বেশি তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। কারণ, তওবা সফলতার চাবিকাঠি। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, হে মুমিনগণ, তোমরা সবাই তওবা করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা - আন-নূর, আয়াত : ৩১)
অন্য আয়াতে ক্ষমা প্রার্থনার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা করো আল্লাহর কাছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সূরা - মুজ্জাম্মিল: ২০)
এই ১০ দিন বেশি বেশি মাগফেরাতের দোয়া করা উচিত। যদিও অন্য যেকোনো দোয়া করতেও নিষেধ নেই। বরং যেকোনো দোয়া যত বেশি করা যায় ততই ভালো। পবিত্র রমজানের দ্বিতীয় দশকে আমরা কোরআনে বর্ণিত কিছু দোয়া বেশি বেশি পাঠ করতে পারি। যেমন-
- رَبِّ إِنِّىْ ظَلَمْتُ نَفْسِىْ فَاغْفِرْ لِىْ
উচ্চারণঃ ‘রব্বি ইন্নী যলামতু নাফসী ফাগফিরলী।’
অর্থঃ ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের প্রতি জুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।’ (সূরা- আল কাসাস: ১৬)
- أَنْتَ وَلِيُّنَا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَأَنْتَ خَيْرُ الْغَافِرِينَ
উচ্চারণঃ ‘আনতা ওয়ালিয়্যুনা- ফাগফিরলানা- ওয়ারহামনা- ওয়া আনতা খাইরুল গা-ফিরীন।’
অর্থঃ ‘আপনি আমাদের অভিভাবক। সুতরাং আমাদের ক্ষমা করে দিন এবং আপনি উত্তম ক্ষমাশীল।’ (সূরা - আল আ‘রাফ: ১৫৫)
- رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণঃ ‘রব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুর র-হিমীন।’
অর্থঃ ‘হে আমাদের রব! আপনি ক্ষমা করুন, দয়া করুন এবং আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।’ (সূরা - আল মুমিনুন: ১১৮)
- رَبَّنَا أَتْمِمْ لَنَا نُورَنَا وَاغْفِرْ لَنَا إِنَّكَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ ‘রব্বানা- আতমিম লানা- নূরানা- ওয়াগফিরলানা- ইন্নাকা ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর।’
অর্থঃ ‘হে আমাদের রব, আমাদের জন্য আমাদের আলো পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন; নিশ্চয় আপনি সর্ববিষয়ে সর্বক্ষমতাবান।’ (সূরা - আত-তাহরিম: ০৮)
- سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ
উচ্চারণঃ ‘সামি‘না- ওয়া আত্বা‘না- গুফরা-নাকা রব্বানা- ওয়া ইলাইকাল মাসীর।’
অর্থঃ ‘আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনারই (নিকট) ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।’ (সূরা -বাকারা: ২৮৫)
তাছাড়া, মহান আল্লাহ তা'আলার অপার রহমতের উসিলা লাভে ধন্য হতে রোজার ১১তম দিনে এই দোয়া পড়তে হবেঃ
- اللَّهُمَّ حَبّب إِلى فِيهِ الأحسانَ، وَكَرّه إِلى فِيهِ الْفُسُوقَ وَالْعِصْيانَ، وَحَرّمْ عَلى فيه السَّخَطَ وَالنيرانَ بِعَوْنِكَ يا غِیاثَ الْمُسْتَغِيثِينَ.
উচ্চারণঃ ‘আল্লাহুম্মা হাব্বিব ইলাইয়্যা ফিহিল ইহসান; ওয়া কাররিহ ইলাইয়্যা ফিহিল ফুসুর্কি ওয়াল ই'সইয়ান, ওয়া হাররিম আ'লাইয়্যা ফিহিস সাখাত্বা ওয়ান নিরানা বিআ'ওনিকা ইয়া গিয়াছাল মুসতাগিছিন।’
অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! এ দিনে সৎ কাজকে আমার কাছে প্রিয় করে দাও আর অন্যায় ও নাফরমানীকে অপছন্দনীয় কর। তোমার অনুগ্রহের ওসিলায় আমার জন্য তোমার ক্রোধ ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি হারাম করে দাও। হে আবেদনকারীদের আবেদন শ্রবণকারী। রমজানের দ্বিতীয় দশ মাগফেরাতে আল্লাহ আমাদেরকে বেশি বেশি নেক আমল করার তাওফিক দান করুন।’ আমিন।
আরো পড়ুনঃ আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের নেক আমল ও জান্নাত লাভ
রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিন (মাগফিরাত) কোন আমলগুলো বেশি বেশি করবো?
একজন মুসলমান হিসেবে গুনাহ মাফ ও তাকওয়া অর্জনের মাস হচ্ছে রমজান মাস। এ মাসের প্রতিটি মুহূর্তই অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘রোজা ঢালস্বরূপ। সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মূর্খের মতো কাজ করবে না। যদি কেউ তার সঙ্গে ঝগড়া করতে চায়, তাকে গালি দেয়, তবে সে যেন দু’বার বলে, আমি রোজাদার।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮৯৪)
হযরত সালমান ফারসি (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এ বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘রমজান এমন এক মাস, যার শুরুতে রহমত, মাঝে মাগফিরাত এবং শেষে রয়েছে জাহান্নাম থেকে মুক্তি।’ (ইবনে খুজাইমা : ১৮৮৭)।
রমজান মাসের দ্বিতীয় ১০ দিন আল্লাহ তার বান্দাদের জন্য মাগফেরাতের বার্তা দিয়ে থাকেন। একটি হাদিসে প্রিয় নবীজী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘হে কল্যাণ অনুসন্ধানকারী আল্লাহর কাজে এগিয়ে যাও। হে অকল্যাণ অনুসন্ধানকারী থেমে যাও।’ (তিরমিযি : ৬৮২, ইবনু মাজাহ : ১৬৪২)।
তাই রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের (মাগফিরাতের) কিছু তাৎপর্যপূর্ণ আমলসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হলো যেগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের পাপ ক্ষমা করে থাকেন। যেমন-
- বেশি থেকে বেশি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করাঃ একজন মুসলমান হিসেবে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা সর্বশ্রেষ্ঠ এবাদত- আল হাদিস। তোমরা কোরআন তিলাওয়াত কর, কারণ কিয়ামতের দিন কোরআন পাঠকের জন্য সুপারিশ করবে’ (সহিহ মুসলিম)। তাছাড়া, রমজানে প্রতিদিন তেলাওয়াত বান্দার হৃদয়ে ঈমান বৃদ্ধি করে, মনকে কোমল করে ক্ষমাপ্রত্যাশী হিসেবে উপযোগী করে তোলে, কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বান্দা নিজেকে পাপমুক্ত করতে সচেষ্ট হয়।
- বেশি বেশি ইস্তেগফার করা বা ক্ষমা চাওয়াঃ ইস্তেগফার করা বা ক্ষমা চাওয়া জন্য আল্লাহর নির্দেশনা হলো, ‘যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করবে কিংবা নিজের প্রতি জুলুম করবে, তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে; সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু পাবে।’ (সূরা - নিসা : আয়াত ১১০)। আর পাপমুক্ত জীবনের জন্য ইস্তেগফার হলো মহৌষধ। প্রতিদিনকার আমলের মধ্য দিয়ে বান্দা নিজেকে পাপ মুক্ত করে, যেমন- বান্দা ইস্তেফার মুহূর্তে বলবে, ‘হে আমার রব! তুমি আমাকে ক্ষমা করো এবং আমার তওবা কবুল করো; নিশ্চয়ই তুমি তওবা কবুলকারী ও দয়াশীল। (তিরমিজি, আবু দাউদ)
- বেশি বেশি তওবা করাঃ পরিপূর্ণ পাপ মোচন এবং নিষ্কলুষ পবিত্র জীবন লাভে তওবার গুরুত্ব অপরিসীম। আর তওবাকারীকে আল্লাহ তায়ালা ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন যারা তাঁর কাছে তওবা করে এবং তিনি তাদেরকে ভালবাসেন যারা নিজেদেরকে পবিত্র করে।’ (সূরা - আল-বাকারা আয়াত: ২২২)
- বেশি থেকে বেশি দোয়া করাঃ দোয়া একটি উত্তম ইবাদত। পাপমুক্তির জন্য দোয়া করলে আল্লাহ সে দোয়ায় সাড়া দেন। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’ (সূরা - আল মু’মিন : আয়াত ৬০)।
- দান-সদ্কা বেশি বেশি করাঃ দান-সদ্কা করা বান্দা তার জন্য পাপমোচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। পাপমুক্ত জীবনের জন্য সদ্কার গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা যদি প্রকাশ্যে দান করো, তবে তা ভালো; আর যদি তা গোপনে করো এবং অভাবীদেরকে দাও তবে তা আরও উত্তম। এর মাধ্যমে আল্লাহ তোমাদের মন্দগুলো মোচন করে দেবেন। তোমরা যা করো, আল্লাহ তা অবগত আছেন।’ (সূরা - বাকারাহ, আয়াত:২৭১)।
পোস্টের শেষ-কথাঃ রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের (মাগফিরাতের) দোয়া ও তাৎপর্যপূর্ণ আমলসমূহ
পরিশেষে, ‘রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের (মাগফিরাতের) দোয়া ও তাৎপর্যপূর্ণ আমলসমূহ’ শিরোনামের আর্টিকেলটি আলোচনা করে আমরা বলতে পারি যে, আল্লাহ তায়ালার প্রত্যেক মুমিন বান্দার উচিত এই মাগফিরাতের দশকে বেশি বেশি আমল-ইবাদত, প্রার্থনা-মোনাজাতে, তওবা করা এবং নিজের গুনাহ মাফ করিয়ে নেওয়া। কারণ, আল্লাহ তায়ালা এই মাসে গুনাহ মাফের ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে রমজানের দ্বিতীয় দশকে মাগফেরাতের লক্ষ্যে বেশি থেকে বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন, আমীন।
-%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%8E%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9.jpg)
গ্রো কেয়ার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url