বাচ্চাদের জন্য উপযোগী কোন ধরণের স্মার্টফোন কিনবেন?

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,

প্রিয় পাঠক- আসসালামু আলাইকুম, ডিজিটাল বিপ্লবের এই যুগে আপনার বাচ্চার জন্য বাস্তব জগত ও ভারচুয়াল জগতের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ করা খুবই ‍গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গবেষকেরা বলছেন, এখনকার বাচ্চারা প্রযুক্তিপণ্যে এতটাই আসক্ত হয়ে যাচ্ছে যে, তাদের হাত থেকে মোবাইল ফোন বা ট্যাব কেড়ে নিলে তারা রেগে যায় বা নেতিবাচক আচরণ শুরু করে দেয়।

বাচ্চাদের-জন্য-উপযোগী-কোন-ধরণের-স্মার্টফোন-কিনবেন

বাচ্চারা এখন ট্যাব, স্মার্টফোনে গান না শুনে বা ভিডিও না দেখে খেতে চাইছে না। তাই আজকে আমাদের আলোচনা বিষয় ‘বাচ্চাদের জন্য উপযোগী কোন ধরণের স্মার্টফোন কিনবেন?’

পেজ সূচিপত্রঃ বাচ্চাদের জন্য উপযোগী কোন ধরণের স্মার্টফোন কিনবেন?

বাচ্চাদের জন্য উপযোগী কোন ধরণের স্মার্টফোন কিনবেন?

বাচ্চাদের জন্য উপযোগী এমন স্মার্টফোন কেনা উচিত যাতে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ফিচার শক্তিশালী, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ও সাইট ব্লক করার ব্যবস্থা আছে এবং ইন্টারনেট অ্যাক্সেস সীমিত রাখা যায়।

বাচ্চাদের শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফোনের পর্দায় কাটানো সময়ের প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ফলে বাচ্চাদের স্মার্টফোনের কার্যকলাপ অভিভাবকরা যাতে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, এমন বিভিন্ন ফিচার চালু করছে বড় ফোন নির্মাতা ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো।

বাচ্চাদের-জন্য-উপযোগী-স্মার্টফোন

মার্কিন কোম্পানি ‘পিনহুইল’-এর নির্মিত এ ফোনটিতে রয়েছে বিশেষভাবে ডিজাইন করা অপারেটিং সিস্টেম, যা ব্যবহার করা যেতে পারে সব ধরনের বড় নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাতেও। পিনহুইলের এ স্মার্টফোনের মাধ্যমে সন্তানের সব ধরনের টেক্সট মেসেজ ও কলের ইতিহাস দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন অভিভাবকরা।

তাছাড়া এ ফোনের মাধ্যমে পরিচিত কারও নম্বর অনুমোদনের পাশাপাশি বিভিন্ন অ্যাপ ও চ্যাটিংয়ের জন্য সময় সীমাও নির্ধারণ করার ক্ষমতা পাবেন তারা। ফোনটিতে আরও রয়েছে একটি সহযোগী ‘অ্যাপ লাইব্রেরি’, যেখানে বিভিন্ন প্রশ্নকে ডিজাইন করা হয়েছে বাচ্চাদের বয়সকে মাথায় রেখে।

আরো পড়ুনঃ প্রতিদিন মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুফল ও কুফল কি? // In Daily Life

বাচ্চাকে ফোন দেওয়ার ক্ষেত্রে যে বিষয়টি মাথায় থাকা দরকার

বর্তমান এই ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ সব বয়সের মানুষের কাছে স্মার্টফোন জীবনের একটি বড় অংশ হয়ে গেছে। এই সুযোগে বাচ্চারাও এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করে গেম খেলা বা ভিডিও দেখার কাজ করছে। তাই আপরার বাচ্চার হাতে ফোন দেওয়ার আগে খুবই সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

এ ক্ষেত্রে, প্রথমেই বাচ্চার নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। যাতে করে, আপনার বাচ্চাকে যেন কোনো প্রকার অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতির মুখোমুখি হতে না হয়।

আপনার স্মার্টফোনে বাচ্চারা যাতে সব ধরনের অ্যাপে অ্যাকসেস না পায়, সেজন্য অ্যাপগুলোকে লক করেও রাখতে পারবেন। অ্যাপ লক নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন এক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করবে।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি আলাদা আলাদা করে প্রতিটি অ্যাপে প্রবেশের সুযোগকে বন্ধ রাখবে। ভয়েস কল, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, মোবাইল ডাটা প্রভৃতি ফিচার ব্যবহারেও প্রতিবন্ধকতা জারি রাখবে এই অ্যাপটি। এ ছাড়া গ্যালারির ফটো বা ভিডিওগুলোও লুকিয়ে রাখবে এই অ্যাপ।

কোন বয়সে আপনার বাচ্চাকে স্মার্টফোন দিবেন?

স্মার্টফোনের এই যুগে অনেক বাচ্চাই আসক্ত স্ক্রিনের প্রতি। বাচ্চারা এখন অল্প বয়সেই স্মার্টফোনের ব্যবহার শিখে যাচ্ছে। এতে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বাচ্চার মানসিক বিকাশ। এছাড়া মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রেডিয়েশন বাচ্চার মস্তিষ্কের যেমন ক্ষতি করছে, তেমনি গ্যাজেটের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের চোখ।

কোন-বয়সে-আপনার-বাচ্চাকে-স্মার্টফোন-দিবেন

তাই এসব জটিলতা এড়াতে চাইলে বাচ্চার হাতে স্মার্টফোন নিশ্চিন্তে তুলে দেওয়ার বিষয়ে অভিভাবককে থাকতে হবে সচেতন। তাদের হাতে স্মার্টফোন কখন তুলে দেওয়া যাবে, আদৌ দেওয়া যাবে কি না তা নিয়ে বেশিরভাগ অভিভাবক দ্বিধান্বিত থাকেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যতটা সম্ভব দেরিতে দিলেই ভালো।

কারণ, স্মার্টফোন, অ্যাপ, গেম ও সোশ্যাল মিডিয়া বাচ্চাকে আকৃষ্ট করে চুম্বকের মতো। যে কারণে বাচ্চার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ বাধা প্রাপ্ত হয়, এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

বাচ্চাদের স্মার্টফোন দেওয়ার সঠিক বয়স কোনটি তা নিয়ে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অলাভজনক মিডিয়া সংস্থা ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও (এনপিআর)। স্ক্রিন টাইম কনসালটেন্ট এমিলি চেরকিন সেখানে বলেছেন, যত বেশি দেরি করে বাচ্চার হাতে স্মার্টফোন বা সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাক্সেস দেওয়া যায় ততই ভালো।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি অনেক বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করেছি, কোনো অভিভাবককেই আক্ষেপ করতে শুনিনি যে কেন তিনি আরও আগে বাচ্চার হাতে স্মার্টফোন তুলে দেননি! বরং উল্টো আক্ষেপই শুনেছি।’

সাইকোসোশ্যাল কাউন্সিলর সামিরা আলম বলেন, নিজের ভালো নিজে বুঝতে শেখার বয়স হলে তারপর আপনার বাচ্চার হাতে নিজস্ব স্মার্টফোন দেওয়া উচিত। সেটা হতে পারে এসএসসি পরীক্ষার পর। এর আগ পর্যন্ত বাচ্চাদের হাতে নিজস্ব মোবাইল ফোন দিয়ে দেওয়াটা কোনও ভালো ফল বয়ে আনবে না।

বাচ্চাদের কাছে স্মার্টফোন কি করে নিরাপদ রাখবেন?

আপনার স্মার্টফোনে বাচ্চারা যাতে সব ধরনের অ্যাপে অ্যাকসেস না পায়, সেজন্য অ্যাপগুলোকে লক করেও রাখতে পারবেন। অ্যাপ লক নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন এক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করবে। এই অ্যাপ্লিকেশনটি আলাদা আলাদা করে প্রতিটি অ্যাপে প্রবেশের সুযোগকে বন্ধ রাখবে।

যেমন- ভয়েস কল, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, মোবাইল ডাটা প্রভৃতি ফিচার ব্যবহারেও প্রতিবন্ধকতা জারি রাখবে এই অ্যাপটি। এবং গ্যালারির ফটো বা ভিডিওগুলোও লুকিয়ে রাখবে এই অ্যাপ।

আইফোন, আইপ্যাড, আইপড টাচ প্রভৃতি ডিভাইস আইওএস-এর আওতাভুক্ত। এসব ডিভাইসেও প্যারেন্টাল কন্ট্রোল যুক্ত করা যায়। ফলে বাচ্চারা চাইলেই নিজের ইচ্ছেমতো কিছু করতে পারবে না।

তাছাড়া, উইন্ডোজ ফোনে বাচ্চাদের জন্য আগে থেকেই কিড’স কর্নার তৈরি করে রাখার সুযোগ রয়েছে। এখানে বাচ্চাদের জন্য আপনার অনুমোদিত অ্যাপ্লিকেশনগুলো রাখতে পারবেন আগে থেকেই। ফলে এখানে গিয়ে বাচ্চারা নির্ভাবনায় বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে।

বাচ্চাদের মোবাইল আসক্তি যেভাবে কমাবেন

মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার বাচ্চাদের মানসিক, শারীরিক এবং সামাজিকভাবে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। তাদের বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বছরগুলি মোবাইল ফোন আসক্তি (একটি জীবন-হুমকিপূর্ণ) দ্বারা দখল করছে।

বাচ্চাদের-মোবাইল-আসক্তি-যেভাবে-কমাবেন

গবেষণায় দেখা গেছে যে, ৩-৫ বছর বয়সী প্রায় ৯৫.০% বাচ্চারা স্মার্ট মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারে।সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুসারে, ৮, ১১ এবং ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সের মধ্যে যথাক্রমে প্রায় ২৩%, ৫৩% এবং ৯৫% বাচ্চারা স্মার্ট মোবাইল ফোন ডিভাইসের মালিক।

তবে আমরা বাবা-মায়েরা চাইলেই কিন্তু বাচ্চাদের মোবাইল ফোন আসক্তি বিভিন্ন উপায়ে প্রতিরোধ করতে কমাতে পারি। নিম্নে সেগুলো আলোচনা করা হলো:

বাটন মোবাইল ব্যবহার: মোবাইল অনেক সময় আমাদের যোগাযোগের জন্য প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে আপনার বাচ্চাকে যদি সম্ভব হয় বাটন মোবাইল ব্যবহার করতে দিন। আর যখন বাচ্চা বাহিরে যাবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবহার করার জন্য তাকে বাটন মোবাইল দিন। বিশেষ করে সারারাত যাতে তার হাতে মোবাইল না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ স্বাভাবিকভাবেই আপনার বাচ্চার সারা রাত মোবাইল চালানোর একটা প্রবণতা থেকে যায়।

মোবাইলের পরিবর্তে ডেস্কটপ ব্যবহার:  যদি আপনার বাচ্চাকে টেকনো ফ্রেন্ডলি করতেই হয় তাহলে তাকে ডেস্কটপ অর্থাৎ পিসি ব্যবহার করতে দিন। এবং সেটা খোলামেলা জায়গায় রাখুন যাতে আপনার বাচ্চা যখন ইন্টারনেটে যাবে তখন আপনি তাকে সুপারভাইজ করতে পারেন বা আপনি যখন বাসায় থাকবেন।

ওয়াইফাই ব্যবহার: আপনার বাচ্চা যদি মোবাইল ফোনের আসক্তি প্রথম অবস্থায় থাকে তাহলে ওয়াইফাইটা বন্ধ করে দেন অথবা একটা নির্দিষ্ট সময় বেধে দেন বা রুটিন করে দিতে পারেন। এছাড়া বাচ্চা রাতে ফোন ব্যবহার করতে পারবে না সে বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

বাচ্চাদের বাইরে বেড়াতে নিয়ে যাওয়া: আপনার বাচ্চাকে পড়ালেখার পাশাপাশি অন্যান্য এন্টারটেইনমেন্ট বা বিনোদনের পরিমাণটা বাড়িয়ে দিতে পারেন। যেমন বাইরের পরিবেশের সাথে অর্থাৎ বন্ধুবান্ধবদের সাথে মেলামেশা বাড়িয়ে দেওয়া, আত্মীয়-স্বজনদের আমার সাথে মেলামেশা বাড়িয়ে দেওয়া, সামাজিক মেলামেশায় বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া, খেলাধুলা করতে দেয়া, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া।

সামাজিক-সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে যুক্ত করা: বাচ্চারা যে সমস্ত বিষয়ে বেশি আগ্রহী থাকে বা ইন্টারেস্ট পেয়ে থাকে সে সমস্ত কারিকুলাম শেখাতে পারেন। যেমন সাঁতা কাটা শেখাতে পারেন। বিশেষ করে আমরা সেই কাজগুলোই বেশি করতে দিব যেগুলো সে আর দশটা বাচ্চার সাথে গ্রুপের মাধ্যমে করতে পারে। যেমন সে একটা গানের অনুষ্ঠানে বা সংগীত চর্চার অনুষ্ঠানে থাকতে পারে। কারণ এখানে এসে বিভিন্ন বাচ্চার সাথে গান গাইতে পারে বা কবিতা আবৃত্তি করতে পারে অথবা স্কাউটের সাথে যুক্ত হতে পারে।

বাচ্চার জন্য রং-বেরঙের আকর্ষণীয় বই: আপনার বাচ্চার জন্য রং-বেরঙের আকর্ষণীয় বই কিনুন, সেগুলো নিয়ে তার সঙ্গে ইন্টারেক্টিভ সময় কাটান। তার সঙ্গে ছড়া বলুন বা গান করুন। বাচ্চা হাসলে ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলে আপনিও হাসুন। বিভিন্ন রং পেন্সিল, রঙিন কাগজ এগুলো নিয়ে তার সঙ্গে বসে ছবি আঁকুন ও রং করুন।

বাচ্চার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করা: আসলে আমরা বাবা-মা বাচ্চাদের সাথে সময় কাটানোর সময় শুধু পড়ালেখা নিয়ে কথা বলে থাকি। কিন্তু বাচ্চারা এটা পছন্দ করে না। বাচ্চাদের সাথে সময় কাটানোর সময় তাদের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরতে হবে। আর নেতিবাচক মন্তব্য বা কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: আপনার বাচ্চা যদি মোবাইল আসক্তির মাত্রা খুব গভীরে চলে যায় বা অনেক আসক্ত হয়ে পড়েছে সেক্ষেত্রে আপনাকে একজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতেই হবে। আর তখন আপনি নিজ থেকে চেষ্টা করলে সেটা কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়।

প্রশ্ন ও উত্তরঃ বাচ্চাদের জন্য উপযোগী কোন ধরণের স্মার্টফোন কিনবেন?

প্রশ্নঃ আপনার বাচ্চাদের জন্য প্রথম ফোন কোনটি?
উত্তরঃ স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এ সিরিজের যেকোনো ফোনই আপনার বাচ্চার জন্য একটি নিখুঁত প্রথম ফোন।

প্রশ্নঃ মোবাইল ফোনের চুক্তির বয়স কত লাগে?
উত্তরঃ  মোবাইল ফোনের চুক্তির আপনার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।

প্রশ্নঃ বাচ্চাদের কখন ফোন দেওয়া উচিত?
উত্তরঃ সাম্প্রতিক এক জরিপে, ৪৫ শতাংশ অভিভাবক জানিয়েছেন যে, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়স স্মার্টফোন ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত বয়স, ১৬ শতাংশ জানিয়েছেন যে ৯ থেকে ১১ বছর বয়স এবং ২৮ শতাংশ জানিয়েছেন যে বয়স ১৫ থেকে ১৭ বছর।

প্রশ্নঃ বাচ্চাদের উপর স্মার্টফোনের প্রভাব কি?
উত্তরঃ বাচ্চাদের উপর স্মার্টফোনের প্রভাব একে বারেই ইতিবাচক নয়। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়া এবং গেমিং অ্যাপ সহ মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার স্ক্রিন আসক্তির দিকে পরিচালিত করতে পারে, যা উদ্বেগ, বিষণ্ণতা এবং ঘুমের ব্যাঘাতের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

পোস্টের শেষকথাঃ বাচ্চাদের জন্য উপযোগী কোন ধরণের স্মার্টফোন কিনবেন?

পরিশেষে, ‘বাচ্চাদের জন্য উপযোগী কোন ধরণের স্মার্টফোন কিনবেন?’ শিরোনামের এই আর্টিকেলটি আলোচনা করে আমরা বলতে পারি যে, আপনার বাচ্চার বয়স বিবেচনা করে তার জন্য উপযোগী ফোন কিনা উচিত। তাছাড়া এখন অধিকাংশ স্মার্টফোন অ্যাপে বাচ্চাদের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে অভিভাবকদের জন্য কন্ট্রোলের অপশন থাকে, আপনি নিজের মতো বাচ্চার ডিভাইসে অ্যাপ লক, সময় নির্ধারণ ইত্যাদি করে দিতে পারেন।

বিশেষ করে, মোবাইল ফোন ব্যবহারের উপর ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের প্রতি আমাদের বিশেষ খেয়াল রাখা উচিত একজন অভিভাবক হিসেবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

গ্রো কেয়ার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url