ইউরোপের দেশ সুইডেন ভিসা আবেদনের নিয়ম ও খরচ- ২০২৬

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,

প্রিয় পাঠক- আসসালামু আলাইকুম, সুইডেন- উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সেনজেনভুক্ত একটি দেশ। পাশাপাশি দেশটির অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী।

ইউরোপের-দেশ-সুইডেন-ভিসা-আবেদনের-নিয়ম-ও-খরচ--২০২৬

২০২৬ সালে সুইডেন ভিসার নিয়ম ও খরচ মূলত সেনজেন ভিসার মতোই। তাই আজকে আমাদের আর্টিকেলের আলোচনার বিষয় হচ্ছে, ‘ইউরোপের দেশ সুইডেন ভিসা আবেদনের নিয়ম ও খরচ- ২০২৬’

পেজ সূচিপত্রঃ ইউরোপের দেশ সুইডেন ভিসা আবেদনের নিয়ম ও খরচ- ২০২৬

ইউরোপের দেশ সুইডেন ভিসা আবেদনের নিয়ম ও খরচ- ২০২৬

২০২৬ সালে এসে আমরা যারা বিদেশ যাওয়ার কথা ভাবছি তাদের জন্য ইউরোপের দেশ সুইডেন হচ্ছে একটি অন্যতম পছন্দের দেশ। এখানে বিভিন্ন ভিসায় যাওয়ার সুযোগ রয়েছে, যেমন- স্টুডেন্ট ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, ভ্রমণ ভিসা অর্থাৎ টুরিস্ট ভিসা ইত্যাদি।

সুইডিশ সরকার স্বাস্থ্যসেবা, আইটি, প্রকৌশল, উৎপাদন এবং গবেষণা খাতে শ্রম ঘাটতি পূরণের জন্য ওয়ার্ক ভিসার নিয়ম পরিবর্তন করেছে। যারা সুইডেনে চাকরি করতে আগ্রহী তাদের জন্য নতুন পরিবর্তিত যোগ্যতা, প্রয়োজনীয়তা এবং আবেদন প্রক্রিয়া জানা গুরুত্বপূর্ণ।

সুইডেনে কাজ করার জন্য যে ভিসা লাগে তাকে অফিসিয়ালি ‘রেসিডেন্স পারমিট ফর ওয়ার্ক’ বলা হয়। যারা ইইউ/ইইএ দেশের নাগরিক নন, তাদের সুইডেনে কাজ ও বসবাসের জন্য এই ভিসা নিতে হবে। এই ভিসা থাকলে বিদেশিরা সুইডিশ নিয়োগকর্তার সঙ্গে বৈধভাবে কাজ করতে পারেন এবং স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাসহ সামাজিক সুবিধা ভোগ করতে পারেন।

এছাড়াও, কাজ ও বসবাসের নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে এটি স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রেও সাহায্য করতে পারে। সুইডেনের  ওয়ার্ক ভিসার কয়েকটি ধরণ রয়েছে, যেমন-

  • সাধারণ ওয়ার্ক পারমিট
  • ইইউ ব্লু কার্ড
  • আন্তঃকর্পোরেট স্থানান্তর অনুমতি
  • মৌসুমী ভিত্তিক কাজের অনুমতি
  • গবেষক এবং বিশেষজ্ঞদের জন্য পারমিট ভিসা।

সুইডেন ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া- ২০২৬ জেনে নিন

আমরা যারা সুইডেনে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে কাজ করতে চাই তাদের জন্য প্রথমে চাকরির প্রস্তাব নিতে হবে। নিয়োগকর্তা চাকরির বিজ্ঞাপন সুইডেন ও ইইউ/ইইএতে প্রকাশ করার পর বিদেশি প্রার্থীকে কাজের অফার দিতে পারেন।

সুইডেন-ভিসা-আবেদনের-প্রক্রিয়া--২০২৬

তারপর কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষর করে নিয়োগকর্তা মাইগ্রেশন এজেন্সিতে আবেদন শুরু করেন। আবেদনকারী অনলাইনে পাসপোর্ট, চুক্তি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি জমা দিয়ে সাথে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৬,১২৮ টাকা ফি পরিশোধ করবেন।

আপনি যদি ভিসা অনুমোদন পেয়ে যান তাহলে সুইডিশ কনস্যুলেট বা দূতাবাসে বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ এবং ছবি) জমা দিন। বিশেষ ক্ষেত্রে সাক্ষাৎকার নেওয়া যেতে পারে।

সুইডেনের কাজের ভিসার জন্য আবেদন করার জন্য, প্রার্থীদের নির্দিষ্ট যোগ্যতার প্রয়োজনীয়তা শর্ত পূরণ করতে হবে। যেমন-

  • সুইডিশ নিয়োগকর্তার কাছ থেকে বৈধ চাকরির প্রস্তাব।
  • সুইডিশ ন্যূনতম বেতনের মান মেনে চলা। অর্থাৎ কেউ যদি সুইডেনে কাজ করতে চান, তবে চাকরির ধরন অনুযায়ী অন্তত ২৭,৩৬০ সুইডিশ ক্রোনার কাছাকাছি আয় করতে হবে, যাতে তাকে ন্যূনতম বেতনের মান পূরণকারী ধরা হয়।
  • নিয়োগকর্তা একজন নন-ইইউ কর্মী নিয়োগের আগে ইইউ/ইইএ এর মধ্যে পদের বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন এমন প্রমাণ থাকতে হবে।
  • বৈধ পাসপোর্ট এবং ভ্রমণের নথি।
  • পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য বীমা কভারেজ (যদি নিয়োগকর্তা কর্তৃক সরবরাহ না করা হয়)।
  • সুইডেনে প্রাথমিকভাবে নিজের ভরণপোষণের জন্য পর্যাপ্ত তহবিল।
  • পদের সাথে প্রাসঙ্গিক প্রমাণপত্রাদি এবং দক্ষতা।

সুইডেন ভিসা আবেদনের ওয়েবসাইটসমূহ- ২০২৬

সুইডিশ দূতাবাস ও কনস্যুলেট-

https://www.swedenabroad.se/en/about-sweden-non-swedish-citizens/bangladesh/going-to-sweden/visiting-sweden/how-to-apply/

ভিসা আবেদন কেন্দ্র (ভিএফএস গ্লোবাল)-

https://visa.vfsglobal.com/bgd/en/swe- সেনজেন ভিসার জন্য।

সুইডেন যেতে যেসমস্ত কাগজপত্র প্রয়োজন পড়ে-

আসলে সুইডেনে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিসা নিয়ে যাওয়া যায়। যেমন: ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বা কাজের ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা ও ভিজিট বা ‍টুরিস্ট ভিসা। এইসব ক্যাটাগরি অনুযায়ী সুইডেন যেতে আলাদা কাগজপত্র লাগে। যেমন-

কাজের ভিসার জন্য,

  • কাজের অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র
  • কাজের দক্ষতার সার্টিফিকেট
  • জব অফার লেটার।
স্টুডেন্ট ভিসার জন্য,
  • আইইএলটিএস স্কোর
  • রিকমেন্ডেশন লেটার
  • বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অফার লেটার
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট।

টুরিস্ট ভিসার জন্য,

  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • ট্রাভেল রেকর্ড।
সাধারণভাবে সকল ভিসার জন্য,

  • একটি বৈধ পাসপোর্ট
  • আবেদনকারীর সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
  • ভোটার আইডি কার্ড
  • মেডিকেলে রিপোর্ট সার্টিফিকেট।

বাংলাদেশ থেকে সুইডেন যেতে মোট কত টাকা খরচ হয়?

সুইডেন যেতে কত টাকা লাগে সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে ভিসা ক্যাটাগরির উপরে। ইউরোপের উন্নত জীবনযাত্রা, উচ্চমানের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং গবেষণার সুযোগ থাকার কারণে বিশ্বব্যাপী অসংখ্য শিক্ষার্থী প্রতি বছর দেশটিতে পড়াশোনার জন্য পাড়ি জমায়।

বাংলাদেশ-থেকে-সুইডেন-যেতে-মোট-কত-টাকা-খরচ-হয়

আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে সুইডেনে স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে চান তাহলে, আনুমানিক ৩-৪ লক্ষ টাকা লাগবে। তবে এজেন্সির মাধ্যমে গেলে খরচ বেশি হবে। প্রায় ৮-১০ লক্ষ টাকা হতে পারে। মূলত ভিসা ফি, টিউশন ফি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াগত খরচের কারণেই ব্যয় বৃদ্ধি পায়।

আর যদি আপনি সুইডেনে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে যেতে চান তাহলে আপনার খরচ পড়বে প্রায় ১২-১৫ লক্ষ টাকা লাগে। এতে কোম্পানির স্পন্সরশিপ, ডকুমেন্টেশন এবং অন্যান্য ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকে।

আবার টুরিস্ট ভিসা নিয়ে আপনি যদি সুইডেন যেতে চান তাহলে আপনার খরচ হতে পারে প্রায় ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা। সুইডেন দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সেনজেনভুক্ত দেশ হওয়াতে ভিসার দাম বেশি হয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন এজেন্সি ভেদে ভিসার খরচ কম বেশি হতে পারে।

সুইডেন সেনজেনভুক্ত দেশ হওয়ায় ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া জটিল এবং খরচ তুলনামূলক বেশি। তবে সঠিক পরিকল্পনা করলে সুযোগ গ্রহণ করা সম্ভব।

আরো পড়ুনঃ

সুইডেনে গড় বেতন- ২০২৬, কত হয়ে থাকে?

সুইডেনে বেতন নির্ভর করে আপনার কাজের ধরন, স্থান, অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার উপর। দেশটিতে ঘন্টাভিত্তিক বেতন নির্ধারণ করা হলেও মাসিক বেতন প্রদান করা হয়। সাধারণত সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ বাধ্যতামূলক। তবে অধিকাংশ কর্মী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করেন।

নিচে কিছু জনপ্রিয় কাজের গড় বেতন দেওয়া হলো-

কাজের ক্ষেত্রে,

  • বর্তমানে সুইডেনের গড় বেতন প্রতি মাসে প্রায় ৩,৩৪৯ মার্কিন ডলার। অভিজ্ঞতা ও কাজের ধরন অনুযায়ী বেতন আরও বেশি হতে পারে। বেশিরভাগ বাংলাদেশি প্রবাসী সেখানে মাসে ২-৩ লক্ষ টাকা সহজেই উপার্জন করে থাকে।
  • দেশটিতে ঘন্টাভিত্তিক বেতন নির্ধারণ করা হলেও মাসিক বেতন প্রদান করা হয়। সাধারণত সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ বাধ্যতামূলক। তবে অধিকাংশ কর্মী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করেন।
আবার অন্যান্য ক্ষেত্রে, যেমন-
  • ডেলিভারি/ওয়্যারহাউস কাজে মাসিক বেতন- ২.৬ লক্ষ টাকা।
  • রেস্টুরেন্ট স্টাফের মাসিক বেতন প্রায়- ২.৩–৩.২ লক্ষ টাকা।
  • IT/Software Engineer -এর মাসিক বেতন প্রায়- ৪.২–৬.৫ লক্ষ টাকা।
  • ক্লিনার/জব সাপোর্টের মাসিক প্রায় বেতন- ১.৯–২.৭ লক্ষ টাকা।

২০২৬ সালে সুইডেনে কোন কাজের চাহিদা বেশি? জানুন

আপনার যদি কাজের উপর দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং ভাষার উপরে দক্ষতা থাকে তাহলে ইউরোপের একটি উন্নত দেশ সুইডেন খুব সহজে কাজ খুঁজে পাওয়া যাবে। তাই অবশ্যই সুইডেন যাওয়ার আগে কোন কাজগুলোর চাহিদা বেশি সেই কাজগুলোর উপরে আপনি অভিজ্ঞতা অর্জন করে যাবেন। তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই আপনি ভালো ইনকাম করতে পারবেন।

তাই আপনাদের সুবিধার্থে সুইডেনে কোন কাজগুলোর চাহিদা বেশি সেগুলো নিচে উল্লেখ করে দেওয়া হলোঃ

  1. কনস্ট্রাকশনের কাজ
  2. ক্লিনিং- এর কাজ
  3. হাউজ কিপিং- এর কাজ
  4. ইলেকট্রিশিয়ান
  5. ডেলিভারি ম্যান
  6. ওয়েল্ডিং- এর কাজ
  7. প্লাম্বিং- এর কাজ।
বিশেষ করে, আপনারা যারা সুইডেন যেতে চান তারা অবশ্যই কোন কাজগুলো চাহিদা বেশি সেগুলো জানার জন্য ইন্টারনেটে সার্চ করবেন।

ইউরোপে উন্নত জীবনমান ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থাকার কারণে সুইডেনে কাজের পরিবেশ বেশ স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ, যা অভিবাসীদের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য।

সুইডেন যেতে বয়স কত বছর বাধ্যতামূলক- ২০২৬

ইউরোপের দেশ সুইডেনে যেতে শিক্ষার্থী ও ভ্রমণকারীদের নির্দিষ্ট কোন বয়সসীমা বেঁধে দেওয়া নেই। তবে সুইডেন ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রসেসিং করতে আবেদনকারীদের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ৩০ বছর হতে হবে।

অপরদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে কাজের ভিসা আবেদনের জন্য নূন্যতম বয়স ১৮ বছর হলে হবে তবে সর্বোচ্চ কোন বয়সসীমা নেই।

সুইডেনে পিআর পাওয়ার জন্য কত সময় লাগে?

সুইডেনে যদি আপনি ৪ বছর বৈধভাবে কাজ করেন বা ৫ বছর বৈধভাবে বসবাস করেন তাহলে আপনি Permanent Residence এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের প্রসেসিংয়ে অতিরিক্ত ৬-১২ মাস লাগতে পারে। আবেদন প্রক্রিয়াকরণে কয়েক মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে, যেটা আপনার আবেদন জমা দেওয়ার সময় এবং তথ্যের উপর নির্ভরশীল। 

এদেশে পিআর পাওয়ার জন্য কিছু শর্ত থাকে যেমন-

  • নিজের ও পরিবারের ভরণপোষণের জন্য যথেষ্ট আয় প্রমাণ করতে হবে (চাকরি বা ব্যবসার মাধ্যমে)।
  • একটি নির্দিষ্ট আবাসন বা থাকার জায়গার প্রমাণ দেখাতে হবে।
  •  কোনো বড় অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা যাবে না এবং ভালো জীবনযাপন(decent life) প্রমাণ করতে হবে।

প্রশ্ন ও উত্তরঃ ইউরোপের দেশ সুইডেন ভিসা আবেদনের নিয়ম ও খরচ- ২০২৬

প্রশ্নঃ সুইডেনে সর্বনিম্ন বেতন কত হয়?
উত্তরঃ সুইডেনে সাধারণত শুরুর বেতন বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২.৪–৩ লাখ। দক্ষ পেশাদারদের জন্য প্রায় ৪–৭ লাখ টাকা।

প্রশ্নঃ সুইডেন ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করতে হয়?
উত্তরঃ সুইডেন ভিসার জন্য আপনাকে VFS Global-এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে, যা ঢাকার বনানীতে অবস্থিত।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সুইডেনের দূতাবাস আছে কোথায়?
উত্তরঃ বাংলাদেশে সুইডেনের দূতাবাস ঢাকার গুলশানে অবস্থিত। যা বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডেনের একটি কূটনৈতিক মিশন।

প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে সুইডেন বিমান ভাড়া কত?
উত্তরঃ ঢাকা থেকে স্টকহোম ফ্লাইট রুটে ইকোনমি ক্লাসের বিমান ভাড়া প্রায় ১,৫০,০০০- ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হয়।

পোস্টের শেষ-কথাঃ ইউরোপের দেশ সুইডেন ভিসা আবেদনের নিয়ম ও খরচ- ২০২৬

পরিশেষে, ‘ইউরোপের দেশ সুইডেন ভিসা আবেদনের নিয়ম ও খরচ- ২০২৬’ শিরোনামের আর্টিকেলটি আলোচনা করে আমরা বলতে পারি যে, ইউরোপের দেশ ‍সুইডেন- পৃথিবীর একটি অন্যতম সুন্দর এবং সেনজেনভুক্ত মধ্যম আয়ের দেশ। ভিসা নিয়ে (২০২৬সাল) সুইডেন যেতে হলে আগে নিজের লক্ষ্য ঠিক করুন—পড়াশোনা, কাজ, না কি স্থায়ীভাবে বসবাস।

এরপর পরিকল্পনা করে ধাপে ধাপে এগোন। প্রয়োজনীয় টাকা জোগাড়, ডকুমেন্টস রেডি, আর বিশ্বাস রাখুন নিজস্ব সামর্থ্যে। সঠিক প্রস্তুতি, বৈধ এজেন্ট নির্বাচন, ডকুমেন্টস যাচাই, এবং ভাষা জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

গ্রো কেয়ার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url