ইউরোপের দেশ পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা- ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,

প্রিয় পাঠক- আসসালামু আলাইকুম, ইউরোপের দেশ পর্তুগাল- পৃথিবীর একটি অন্যতম সুন্দর এবং সেনজেনভুক্ত মধ্যম আয়ের দেশ, যা এর সমুদ্রসৈকত, ঐতিহাসিক স্থান এবং অনন্য সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত। চাকরি, পড়াশোনা ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে অনেকে ইউরোপের এই দেশে যেতে চায়।

ইউরোপের-দেশ-পর্তুগাল-ওয়ার্ক-পারমিট-ভিসা--২০২৬-সম্পর্কে-বিস্তারিত

বৈধভাবে এই দেশে কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রয়োজন। তাই আজকে আমাদের আর্টিকেলের আলোচনার বিষয় হচ্ছে, ‘ইউরোপের দেশ পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা- ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত’

পেজ সূচিপত্রঃ ইউরোপের দেশ পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা- ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত

ইউরোপের দেশ পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা- ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত

২০২৬ সালে ইউরোপের দেশ পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে হলে আপনাকে কিছু নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া এবং শর্ত পূরণ করতে হবে। পর্তুগাল এমন একটি দেশ যেখানে বিদেশি কর্মীদের জন্য অনেক সুযোগ রয়েছে, বিশেষ করে যারা দক্ষ পেশাজীবী বা নির্দিষ্ট স্কিলের অধিকারী। বাংলাদেশ থেকেও অনেকে পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে ইউরোপে যেতে চায়।

ওয়ার্ক পারমিট ভিসা হচ্ছে সেই ভিসা যা আপনাকে পর্তুগালে কাজ করার অনুমতি দেয়, তবে এই ভিসা পাওয়ার জন্য কিছু প্রক্রিয়া ও শর্ত অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। প্রক্রিয়া সম্পর্কে বললে, আপনি প্রথমে ভিসা আবেদন ফরম পূরণ করবেন, তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সঙ্গে জমা দেবেন এবং আবেদন ফি পরিশোধ করবেন।

পরবর্তী ধাপে সাক্ষাৎকার হতে পারে এবং এরপর ভিসার স্ট্যাটাস যাচাইয়ের জন্য আপনি পর্তুগাল ভিসা চেক সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবেন।

পর্তুগালে কাজ করতে চাইলে, আপনাকে একটি ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এটি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত হতে পারে, যেমন- মোটিভেশনাল ভিসা বা হায়ারিং ভিসা। এই ভিসার জন্য সাধারণত মূল্য €100 থেকে €150 হয়ে থাকে, তবে নির্ভর করে আপনার কর্মস্থল ও ভিসার শর্তের উপর।

আজকে আমরা এই আর্টিকেলটিতে ২০২৬ সালে ইউরোপের দেশ পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য কি কি প্রদক্ষেপ নিতে হয়, ভিসার দাম কত? যেতে কত টাকা লাগে, বেতন কত, খরচ কেমন ইত্যাদি সমস্তকিছু আলোচনা করবো- ইনশাল্লাহ।

আরো পড়ুনঃ ইউরোপের প্রাচীনদেশ গ্রীস- ভিসা, মোট খরচ ও বেতন নিয়ে আলোচনা

পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া- ২০২৬

পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া- ২০২৬ সাধারণভাবে জটিল হলেও এটি যদি সঠিকভাবে পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করা হয়, তাহলে সহজ হতে পারে। প্রথমে একটি ভিসা আবেদন ফরম পূর্ণ করতে হবে, তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রস্তুত করতে হবে এবং নির্ধারিত ভিসা ফি পরিশোধ করতে হবে। পরবর্তীতে, ভিসা আবেদনটি পর্তুগাল কনস্যুলেট বা ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে জমা দিতে হবে।

পর্তুগাল-ওয়ার্ক-পারমিট-ভিসা-আবেদন-প্রক্রিয়া--২০২৬

তাছাড়া কিছু ক্ষেত্রে সাক্ষাৎকারও নেওয়া হতে পারে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে আপনার আবেদন যাচাই হয়ে ভিসা অনুমোদিত হলে, আপনি পর্তুগালে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে আবেদন করেন, তবে বাংলাদেশের পর্তুগাল কনস্যুলেট বা ভিসা আবেদন সেন্টার (VFS Global) আপনার সহায়তায় আসবে।

পর্তুগাল ভিসা পাওয়ার জন্য পর্তুগালের কোন কোম্পানির জব অফার লেটার পেতে হবে। অনলাইনে বিভিন্ন জব পোর্টাল ওয়েবসাইটে পর্তুগালের জবের আবেদন করতে হয়। কোম্পানি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করে জব অফার লেটার ও ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে থাকে।

তবে বিশ্বস্ত এজেন্সির মাধ্যমে পর্তুগাল কাজের ভিসা প্রসেসিং করলে যাবতীয় কাজ এজেন্সি করে দিয়ে থাকে। বাংলাদেশে পর্তুগালের এম্বাসি নেই। প্রতিবেশী দেশ ভারতে গিয়ে পর্তুগাল ভিসা প্রসেসিং করতে হয়।

ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইনে আবেদন করুন। ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রসেসিং করা যায়। পর্তুগাল ভিসা আবেদন করার পর এম্বাসি ফেস করতে হয়।

আরো পড়ুনঃ লিথুনিয়া যেতে কত টাকা লাগে - লিথুনিয়া ভিসা ফি কত ২০২৫

পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদনের ওয়েবসাইটসমূহ

পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে প্রধানত পর্তুগাল সরকারের AIMA (www.aima.gov.pt) এবং {@link: Immigration and Borders Service (SEF) https://imigrante.sef.pt/en/solicitar/trabalhar/} এর অফিসিয়াল পোর্টাল ও দূতাবাসের ওয়েবসাইট দেখতে হবে।

তবে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয় নিয়োগকর্তার মাধ্যমে ও EURES (European Job Mobility Portal): https://eures.europa.eu/select-language? এর মতো প্ল্যাটফর্মে চাকরির খোঁজ করে, যেখানে অফার লেটার পেলে দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসার আবেদন করা হয়।

পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

২০২৬ সালে পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে হলে আপনাকে এর ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। আবার ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। পর্তুগাল পারমিট ভিসা আবেদন করতে গেলে যে সকল কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় তার একটি তালিকা নিজে দেওয়া হলো-

  • বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাসের মেয়াদ থাকতে হবে)
  • ভিসা আবেদন ফর্ম 
  • চাকরির অফার লেটার
  • ওয়ার্ক পারমিট
  • ভিসা আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি
  • জাতীয় পরিচয় পত্র
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র
  • কাজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সাধারণত ৬ মাসের)
  • ভাষা দক্ষতার সার্টিফিকেট 
  • টিন সার্টিফিকেট (যদি প্রয়োজন হয়) 
  • মেডিকেল সার্টিফিকেট (WHO অনুমোদিত)
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

উপরিউক্ত, কাগজপত্রগুলো ছাড়াও যদি আরো কোন তথ্য অথবা কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে আপনি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আর কোন কাগজপত্রের প্রয়োজন হলে তারা আপনাকে জানিয়ে দিবে।

 আরো পড়ুনঃ দুবাই থেকে ইতালি যেতে কত টাকা লাগে এইমাত্র পাওয়া তথ্য ২০২৫

বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যেতে মোট কত টাকা খরচ হয়?

২০২৬ সালে ভিসা ক্যাটাগরি অনুযায়ী পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে সেটা পরিবর্তিত হয়। ভ্রমণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী উপযুক্ত ক্যাটাগরি নির্বাচন করে ভিসা প্রসেসিং করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে ইউরোপের এই দেশটিতে যেতে পারলে খরচ কম লাগে।

অপরদিকে, বেসরকারি এজেন্সির শরণাপন্ন হলে ভিসা প্রসেসিং খরচ বেশি লাগে। পর্তুগাল ভিসার দাম কত জানলে বুঝতে পারবেন পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে পর্তুগাল যেতে আনুমানিক ১০ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়।

ইউরোপের দেশ পর্তুগাল সেনজেন দেশ হওয়ায় জাতীয় ভিসার পাশাপাশি রয়েছে সেনজেন ভিসা। সেনজেন ভিসা নিয়ে ইউরোপের দেশ পর্তুগালে যেতে আনুমানিক ১০ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়। বাংলাদেশী নাগরিকদের পর্তুগালের সেনজেন ভিসা পাওয়া অনেক কঠিন।

আবার, বাংলাদেশ থেকে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে পর্তুগালে যেতে আনুমানিক ৩ লক্ষ থেকে ৬ লক্ষ টাকা লাগে। স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে আবেদনকারী স্টুডেন্ট স্কলারশিপ পেলে পর্তুগাল স্টুডেন্ট ভিসার খরচ কম লাগে। পর্যটক হিসেবে পর্তুগালে ভিজিট ভিসা নিয়ে যেতে ২ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা লাগে।

পর্তুগালে গড় বেতন- ২০২৬, কত হয়ে থাকে?

পর্তুগাল (২০২৬ সাল) ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে গেলে পর্তুগাল বেতন কত হবে সেটা নির্ভর করবে কাজের ক্যাটাগরির উপর। যেমন- কাজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা, কাজের লোকেশন (শহর কিংবা গ্রাম), কোম্পানির আকার (ছোট কিংবা বড়), বৈধ প্রবাসী নাকি অবৈধ প্রবাসী ইত্যাদি বিষয়।

বর্তমানে (২০২৬সাল) পর্তুগালের নাগরিকদের গড় মাসিক বেতন প্রায় ১৮০০ ইউরো যা বাংলাদেশী টাকায় কনভার্ট করলে ২ লক্ষ ৫৭ হাজার টাকা হবে। বর্তমানে পর্তুগালের বেতন কাজের ক্যাটাগরি অনুযায়ী আনুমানিক প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা থেকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হয়ে থাকে।

পর্তুগাল কোন কাজের চাহিদা বেশি?

পর্তুগাল কাজের ভিসা নিয়ে যেতে আগ্রহীদের পর্তুগাল কোন কাজের চাহিদা বেশি রয়েছে জেনে নিতে হবে। প্রবাসীরা সাধারণত নির্দিষ্ট দক্ষতা ভিত্তিক কাজগুলো বেশি করে থাকে ‌

পর্তুগালে যে কাজগুলোর চাহিদা বেশি রয়েছে সে কাজগুলোর উপর দক্ষতা ও দক্ষতা অর্জন করার পর ওয়ার্ক পারমিট ভিসার মাধ্যমে পর্তুগালে যান তাহলে আপনি যাওয়ার প্রথম থেকেই অনেক বেশি পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কিন্তু আপনি যদি কাজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা ছাড়া পর্তুগালে যান সে ক্ষেত্রে আপনি প্রথমে তেমন কোন টাকা ইনকাম করতে পারবেন না।

পর্তুগালের যেসমস্ত কাজের চাহিদা বেশি রয়েছে সে কাজগুলোর নাম নিচে উল্লেখ করা হলো-

  • আইটি সেক্টর
  • কনস্ট্রাকশন শ্রমিক
  • হোটেল ও রেস্টুরেন্ট কর্মী
  • ড্রাইভিং
  • ফুড ডেলিভারি ম্যান
  • রোড ক্লিনার
  • ইলেকট্রিশিয়ান
  • মেকানিক্যাল
  • প্লাম্বার ইত্যাদি।

পর্তুগাল কোন কাজের বেতন বেশি?

আপনাকে অবশ্যই পর্তুগালে কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং কোন কাজের বেতন বেশি সে সম্পর্কে জানতে হবে। পর্তুগালে সাধারণত সব ধরনের কাজ রয়েছে। এখানে এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলোতে বেতন অনেক কম হয়ে থাকে। আবার এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলোতে বেতন অনেক বেশি হয়ে থাকে।

আপনি যেহেতু টাকা ইনকাম করার জন্য যাবেন তাই যে কাজগুলোর বেতন বেশি দেওয়া হয় সে কাজগুলোর উপর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে যাবেন। কাজের উপর আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকলে পর্তুগাল যাওয়ার প্রথম মাস থেকেই আপনি প্রচুর পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

নিম্নে যে কাজগুলোর বেতন বেশি হয়ে থাকে সেগুলো উল্লেখ করা হলো-

  • ইঞ্জিনিয়ারিং কাজ
  • আইটি সেক্টরের কাজ
  • ইলেকট্রিকেলের কাজ
  • ফুড ডেলিভারির কাজ
  • প্লাম্বিং এর কাজ
  • মেকানিক্যালের কাজ
  • কন্সট্রাকশনের কাজ ইত্যাদি
এছাড়া শেফ, হোটেল ম্যানেজার, টুর গাইড, মেকানিক ইত্যাদি কাজের বেতন বেশি হয়ে থাকে।

পর্তুগালে PR ও নাগরিকত্ব কিভাবে পাওয়া যায় জানুন

পর্তুগালের PR (Permanent Residency) ও নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন পড়ে-

  • ১০ বছর বৈধভাবে বসবাস করতে হবে (পূর্বে ৫ বছর ছিল)
  • ভাষা পরীক্ষায় পাশ করতে হবে (A2 লেভেল)
  • ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে
  • কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা যাবে না
  • নাগরিকত্ব (Citizenship)
  • PR পাওয়ার পর ১–২ বছরের মধ্যে আবেদন করা যায়
  • পর্তুগিজ ভাষার জ্ঞান আবশ্যক
তাছাড়া, নাগরিকত্ব পেলে ইউরোপের ২৭টি সেনজেনভুক্ত দেশে ভ্রমণ, কাজ ও বসবাসের সুযোগ মিলবে। যা EU নাগরিকদের মতোই অধিকার প্রদান করে থাকে।

পর্তুগালে PR সীমিত অধিকার দেয়, কিন্তু নাগরিকত্ব পূর্ণ রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার দেয়।

প্রশ্ন ও উত্তরঃ ইউরোপের দেশ পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা- ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত

প্রশ্নঃ পর্তুগালে সর্বনিম্ন মাসিক বেতন কত হয়?
উত্তরঃ পর্তুগালে 🇵🇹 আগামী ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সর্বনিম্ন বেতন ৯২০ ইউরো যা বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করলে প্রায় ১ লক্ষ ৩১ হাজার টাকা হয়।

প্রশ্নঃ পর্তুগালে PR পেতে কত বছর লাগে?
উত্তরঃ পর্তুগালের PR (Permanent Residency) ও নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য- ১০ বছর বৈধভাবে বসবাস করতে হবে (পূর্বে ৫ বছর ছিল)।

প্রশ্নঃ টুরিস্ট ভিসায় পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে?
উত্তরঃ টুরিস্ট ভিসায় পর্তুগাল যেতে প্রায় ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লাগে।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল- প্লেন ভাড়া কত টাকা?
উত্তরঃ বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল- প্লেন ভাড়া প্রায় ৭০ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।তবে বিমান এয়ারলাইন্স অনুযায়ী এই ভাড়া পরিবর্তন হতে পারে।

পোস্টের শেষ-কথাঃ ইউরোপের দেশ পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা- ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত

পরিশেষে, ‘ইউরোপের দেশ পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা- ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত’ শিরোনামের আর্টিকেলটি আলোচনা করে আমরা বলতে পারি যে, ইউরোপের দেশ পর্তুগাল- পৃথিবীর একটি অন্যতম সুন্দর এবং সেনজেনভুক্ত মধ্যম আয়ের দেশ। পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় (২০২৬সাল) যেতে ইচ্ছুকদের জন্য সঠিক প্রস্তুতি, বৈধ এজেন্ট নির্বাচন, ডকুমেন্টস যাচাই, এবং ভাষা জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

গ্রো কেয়ার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url