কোরআন ও হাদিসের আলোাকে- মেয়েদের সোনা ও রূপার যাকাতের পরিমাণ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
প্রিয় পাঠক- আসসালামু আলাইকুম, দুনিয়াতে যাকাত ইসলামের মৌলিক স্তম্ভগুলোর অন্যতম একটি। ঈমানের পর আল্লাহ নামাজ ও যাকাতের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেছেন। ইসলামী শরী‘আত তথা পবিত্র কোরআন ও হাদিসে সোনা ও রূপার উপর বিশেষ দৃষ্টি নিবদ্ধ করে তার উপর যাকাত ফরয করেছে। আর যাকাত অনাদায়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছে।
তাই আজকে আমরা এই আর্টিকেলটিতে কোরআন ও হাদিসের আলোাকে- মেয়েদের সোনা ও রূপার যাকাতের পরিমাণ বছরে কত তা নিয়ে আলোচনা করবো- ইন্শাল্লাহ।
পেজ সূচিপত্রঃ কোরআন ও হাদিসের আলোাকে- মেয়েদের সোনা ও রূপার যাকাতের পরিমাণ
- কোরআন ও হাদিসের আলোাকে- মেয়েদের সোনা ও রূপার যাকাতের পরিমাণ
- সোনা ও রূপার যাকাত কিভাবে ফরয হয় জেনে নিন
- কি পরিমাণ সোনা ও রূপার থাকলে নিসাব হিসেবে গণ্য হবে- জেনে রাখুন
- সোনা ও রূপা দু’টি মিলে নিসাব পরিমাণ গহনা থাকলে যাকাতের শর্ত কি? জানুন
- মেয়েদের সোনা ও রূপার গহনার যাকাত সম্পর্কে আরো কিছু আলোচনা
- প্রশ্ন ও উত্তরঃ কোরআন ও হাদিসের আলোাকে- মেয়েদের সোনা ও রূপার যাকাতের পরিমাণ
- পোস্টের শেষ-কথাঃ কোরআন ও হাদিসের আলোাকে- মেয়েদের সোনা ও রূপার যাকাতের পরিমাণ
কোরআন ও হাদিসের আলোাকে- মেয়েদের সোনা ও রূপার যাকাতের পরিমাণ
ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায়, মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে শরিয়তে নির্ধারিত সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ কোরআনে বর্ণিত আট শ্রেণির যেকোনো এক শ্রেণির মানুষের কাছে দান করাকে যাকাত বলা হয়।
সোনার নিসাব বা যাকাত রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘বিশ দ্বীনারের কম সোনার যাকাত ফরয নয়। যদি কোন ব্যক্তির নিকট ২০ দ্বীনার পরিমাণ সোনা এক বছর যাবৎ থাকে তবে এর জন্য অর্ধ দ্বীনার যাকাত দিতে হবে। এরপরে যা বৃদ্ধি পাবে তার হিসাব ঐভাবেই হবে’। আবূদাউদ হা/১৫৭৩, ‘যাকাত’ অধ্যায়, আলবানী, সনদ ছহীহ।
হাদিসে বর্ণিত ১ দ্বীনার সমান ৪.২৫ গ্রাম সোনা। অতএব ২০ দ্বীনার সমান ২০ × ৪.২৫ = ৮৫ গ্রাম সোনা। ১ ভরি সমান ১১.৬৬ গ্রাম হলে, ৮৫ ÷১১.৬৬ = ৭.২৯ ভরি বা ৭ ভরী ৫ আনা ৫ রতী সোনা। অর্থাৎ কারো নিকটে উল্লিখিত পরিমাণ সোনা এক বছর যাবৎ থাকলে তার উপর উক্ত সোনার বর্তমান বিক্রয় মূল্যের হিসাবে মোট সম্পদের ২.৫০% যাকাত দেওয়া ফরয।
রূপার নিসাব বা যাকাত সম্পর্কে রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘পাঁচ উকিয়ার কম পরিমাণ রূপার যাকাত নেই’।
উল্লেখ্য, ১ উকিয়া সমান ৪০ দিরহাম। অতএব ৫ উকিয়া সমান ৪০×৫=২০০ দিরহাম। বুখারী হা/১৪৮৪, ‘যাকাত’ অধ্যায়, মুসলিম হা/৯৭৯; মিশকাত হা/১৭৯৪।
অন্যত্র রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা প্রতি ৪০ দিরহামে ১ দিরহাম যাকাত আদায় করবে। ২০০ দিরহাম পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের প্রতি কিছুই ফরয নয়। ২০০ দিরহাম পূর্ণ হলে এর যাকাত হবে পাঁচ দিরহাম এবং এর অতিরিক্ত হলে তার যাকাত উপরোক্ত হিসাব অনুযায়ী প্রদান করতে হবে’। আবূদাউদ হা/১৫৭২, ‘যাকাত’ অধ্যায়, আলবানী, সনদ ছহীহ।
সোনা ও রূপার যাকাত কিভাবে ফরয হয় জেনে নিন
দুনিয়াতে সোনা ও রূপা- খনিজ সম্পদের মধ্যে অন্যতম সম্পদ। এ মূল্যবান সম্পদের অপ্রতুলতা ও শ্রেষ্ঠত্বের কারণে আদিকাল থেকেই বহু জাতি বা গোষ্ঠী এ দু’টি ধাতু দ্বারা মুদ্রা তৈরী করেছে ও দ্রব্যমূল্যের মান হিসাবে গ্রহণ করেছে। এ কারণে ইসলামী শরী‘আত সোনা ও রূপার উপর বিশেষ দৃষ্টি নিবদ্ধ করে তার উপর যাকাত ফরয করেছে।
আর যাকাত অনাদায়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছে। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ-তায়ালা বলেন,
وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنْفِقُوْنَهَا فِيْ سَبِيْلِ اللهِ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ أَلِيْمٍ- يَوْمَ يُحْمَى عَلَيْهَا فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكْوَى بِهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوْبُهُمْ وَظُهُوْرُهُمْ هَذَا مَا كَنَزْتُمْ لِأَنْفُسِكُمْ فَذُوْقُوْا مَا كُنْتُمْ تَكْنِزُوْنَ-
‘যারা সোনা ও রূপা পুঞ্জীভূত করে এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে না, তাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তির সুসংবাদ দাও। সেদিন জাহান্নামের অগ্নিতে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং তা দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্বদেশ ও পৃষ্ঠদেশে দাগ দেওয়া হবে আর বলা হবে, এটাই তা, যা তোমরা নিজেদের জন্য পুঞ্জীভূত করতে। সুতরাং তোমরা যা পুঞ্জীভূত করেছিলে তা আস্বাদন কর’। তওবা ৯/৩৪-৩৫
সোনা ও রূপার যাকাত সম্পর্কে আমাদের প্রিয় নবী- রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
مَا مِنْ صَاحِبِ ذَهَبٍ وَلاَ فِضَّةٍ لاَ يُؤَدِّى مِنْهَا حَقَّهَا إِلاَّ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ صُفِّحَتْ لَهُ صَفَائِحَ مِنْ نَارٍ فَأُحْمِىَ عَلَيْهَا فِىْ نَارِ جَهَنَّمَ فَيُكْوَى بِهَا جَنْبُهُ وَجَبِيْنُهُ وَظَهْرُهُ كُلَّمَا بَرَدَتْ أُعِيْدَتْ لَهُ فِىْ يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِيْنَ أَلْفَ سَنَةٍ حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ الْعِبَادِ فَيُرَى سَبِيْلُهُ إِمَّا إِلَى الْجَنَّةِ وَإِمَّا إِلَى النَّارِ-
‘প্রত্যেক সোনা ও রূপার মালিক যে তার হক (যাকাত) আদায় করে না, কিয়ামতের দিন তার জন্য আগুনের বহু পাত তৈরী করা হবে এবং সে সমুদয়কে জাহান্নামের আগুনে গরম করা হবে। অতঃপর তার পাঁজর, কপাল ও পিঠে দাগ দেওয়া হবে। যখনই তা ঠান্ডা হয়ে যাবে তখন পুনরায় তাকে গরম করা হবে। (তার সাথে এরূপ করা হবে) সেদিন, যার পরিমাণ হবে পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। (তার এ শাস্তি চলতে থাকবে) যতদিন না বান্দাদের বিচার নিষ্পত্তি হয়। অতঃপর সে তার পথ ধরবে, হয় জান্নাতের দিকে, না হয় জাহান্নামের দিকে’। মুসলিম হা/৯৮৭; মিশকাত হা/১৭৭৩, ‘যাকাত’ অধ্যায়; ঐ, বঙ্গানুবাদ (এমদাদিয়া) ৪/১২৩ পৃঃ।
হজরত আবু কামিল (রহ.) আমর ইবনে শুআইব (রহ.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, এক নারী তার কন্যাসহ রসুলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে উপস্থিত হন। কন্যার হাতে ছিল দুটি ভারী সোনার কাঁকন। নবীজি (সা.) জিজ্ঞেস করলেন, “তোমরা কি এর জাকাত দাও? নারী বললেন, না। তখন নবীজি (সা.) বললেন, তুমি কি চাও যে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তোমাকে এর পরিবর্তে আগুনের কাঁকন পরিয়ে দেবেন?
এ কথা শুনে নারী সঙ্গে সঙ্গে কাঁকন খুলে নবীজি (সা.)-এর সামনে রেখে বললেন, এ দুটি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের জন্য। তিরমিজি, নাসাঈ, আবু দাউদ ১৫৬৩
কি পরিমাণ সোনা ও রূপার থাকলে নিসাব হিসেবে গণ্য হবে- জেনে রাখুন
যদি কারো নিকট ইসলামী শরী‘আত কর্তৃক নির্ধারিত নিসাব পরিমাণ সোনা ও রূপা থাকলেই কেবল তার উপর যাকাত ফরয। এ দু’টি ধাতুর নিসাব নিম্নে উল্লেখ করা হল-
- সোনার নিসাব:
সোনার নিসাব বিশ দিরহাম সোনা, যা ওজন করলে ৮৫ গ্রাম সোনা হয়। যদি কারও মালিকানাধীন ৮৫ গ্রাম বা ততোধিক সোনা থাকে, ক্যারেট যাই হোক, তার ওপর হিজরী এক বছর পূর্ণ হলে যাকাত ওয়াজিব হবে। যাকাতের পরিমাণ এক-দশমাংশের এক চতুর্থাংশ, অর্থাৎ মোট স্বর্ণের ২.৫%।
এখানে উল্লেখ্য যে, একজন ব্যক্তি যদি কেবল আংটি বা কানের দুল ব্যবহার করেন এবং অন্যান্য গহনা না রাখেন, তবুও সোনার নিসাব পরিমাণ মূল্য হলে যাকাত আদায় করা ফরয হবে।
এখানে তাহলে যাকাত দেওয়ার নিয়ম কি?
উত্তরঃ ব্যক্তির মালিকানায় যে ক্যারেট সোনা রয়েছে সেই ক্যারেটের এক গ্রাম সোনার বাজার দর জানবে প্রথম। যদি একাধিক ক্যারেটের সোনা থাকে, যে ক্যারেট সোনা বেশি আছে তার বাজার দর জানবে, অতঃপর এক গ্রাম সোনার মূল্যকে তার নিকট যে ক’গ্রাম সোনা রয়েছে তার সংখ্যা দিয়ে পূরণ দিবে। এভাবে সোনার গ্রামকে মুদ্রায় পরিণত করবে, অতঃপর ক্যালকুলেটর দিয়ে মোট মূল্য থেকে ২.৫% বের করবে, যে অংক আসবে তাই সোনার যাকাত। যেমন-
কেউ ২১ ক্যারেট ১০০ গ্রাম সোনার মালিক, সে তার যাকাত বের করার জন্য প্রথম ২১ ক্যারেট সোনার বাজার দর জানবে। যদি এক গ্রাম সোনার দাম হয় ১০,০০০ টাকা, যাকাতের হিসেব হবে নিম্নরূপ: ১০০ (গ্রাম-সোনা) x ১০,০০০ (টাকা, যা এক গ্রাম সোনার মূল্য) x ২.৫% (যাকাত) অর্থাৎ ১০০১০,০০০ x ২.৫%=২৫০০০ টাকা।
👉 খাদসহ সোনার নিসাব: বর্তমান বাজারে স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ের সময় খাদ বাদ দিয়ে ওজন করা হয় না; বরং খাদ সহ ওজন করা হয়। অতএব খাদ সহ স্বর্ণ নিছাব পরিমাণ হলে তার উপর যাকাত ফরয।
- রূপার নিসাব:
এখানে তাহলে যাকাত দেওয়ার নিয়ম কি?
উত্তরঃ ব্যক্তির মালিকানায় যে ক্যারেট রূপা তার কাছে রয়েছে, প্রথম তার বাজার দর জানবে, আর যদি একাধিক ক্যারেটের রূপা থাকে, যে ক্যারেট রূপা বেশি রয়েছে তার বাজার দর জানবে। অতঃপর যত গ্রাম রূপা তার মালিকানায় রয়েছে তার সংখ্যা দিয়ে একগ্রাম রূপার বাজার দরকে গুণ দিবে, গুণফল থেকে ২.৫% যাকাত বের করবে, যে অংক বের হবে সেটি ৫৯৫ গ্রাম রূপার যাকাত। যেমন-
কেউ ৬০০ গ্রাম রূপার মালিক, সে যখন তার যাকাত বের করার ইচ্ছা করবে প্রথম একগ্রাম ৮০ ক্যারেট রূপার বাজার দর জানবে। যদি মনে করি একগ্রাম রূপার মূল্য ১০০ টাকা, নিম্নের নিয়মে যাকাত বের করবে: ৬০০ (গ্রাম-রূপা) x ১০০ (টাকা, যা একগ্রাম-রূপার মূল্য) x ২.৫% = ১৫০০ টাকা। অর্থাৎ একগ্রাম রূপার মূল্য যদি হয় ১০০ টাকা, ৬০০ গ্রাম রূপার যাকাত আসবে ১৫০০ টাকা।
সোনা ও রূপা দু’টি মিলে নিসাব পরিমাণ গহনা থাকলে যাকাতের শর্ত কি? জানুন
তবে সহীহ মত হল, সোনা ও রূপা দু’টি ভিন্ন বস্তু। যা একটি অপরটির নিসাব পূর্ণ করতে সক্ষম নয়। সুতরাং এ দু’টি পৃথকভাবে নিসাব পরিমাণ না হলে যাকাত ফরয নয়। মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উছায়মীন, শারহুল মুমতে ৬/১০১-১০২ পৃঃ; ফিক্বহুস সুন্নাহ ২/১৮ পৃঃ; তামামুল মিন্নাহ ৩৬০ পৃঃ।
তিনি অন্যত্র বলেন, ‘বিশ দ্বীনারের কম সোনায় যাকাত ফরয নয়’। আবূদাউদ হা/১৫৭৩, ‘যাকাত’ অধ্যায়, আলবানী, সনদ সহীহ।
মেয়েদের সোনা ও রূপার গহনার যাকাত সম্পর্কে আরো কিছু আলোচনা
আমাদের অনেকেই মনে করে থাকি যে, সোনা ও রূপার যাকাত আদায় পুরুষের ওপর ফরজ, আর পুরুষ মনে করেন, সোনা ও রূপা যেহেতু নারীর, তাই এটি তারই দায়িত্ব - এভাবে একজন আরেকজনের ওপর দায় চাপাচাপি করতে করতে যাকাতই দেওয়া হয় না।
অপরদিকে, আমরা মনে করি, ব্যবহৃত গহনার যাকাত নেই। কিন্তু এটি ঠিক না। ব্যবহৃত গহনারও যাকাত দিতে হয়।
আর নারীর গহনার যাকাত আদায় করা তার ওপরই ফরজ। কারণ, যাকাত সম্পদের মালিকের ওপরই ফরয হয়। গহনার মালিক যেহেতু নারী, তাই তাকেই তার যাকাত আদায় করতে হবে। তবে স্বামী যদি স্ত্রীর অনুরোধে বা অনুমতিক্রমে খুশি মনে তার পক্ষ থেকে যাকাত আদায় করে দেয়, তাহলে তা আদায় হয়ে যাবে এবং স্বামী সওয়াবের ভাগী হবেন। বরং সামর্থ্যবান স্বামীর জন্য অর্থের সঙ্গে জড়িত ফরযগুলো আদায়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর সহযোগিতা করাই অধিক উপযুক্ত। আদ্দুররুল মুখতার ২/২৯৮ ও সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৫৬০
প্রশ্ন ও উত্তরঃ কোরআন ও হাদিসের আলোাকে- মেয়েদের সোনা ও রূপার যাকাতের পরিমাণ
পোস্টের শেষ-কথাঃ কোরআন ও হাদিসের আলোাকে- মেয়েদের সোনা ও রূপার যাকাতের পরিমাণ
গহনা কেবল নারীর সৌন্দর্যের বস্তু হলেও তা যাকাতের আওতামুক্ত নয়, যদি তা নেসাব স্পর্শ করে। অতএব, কোনো মুসলিম নারীর কাছে উল্লেখিত নিসাব পরিমাণ সোনা ও রূপার গহনা থাকলে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও নিজের সম্পদকে পবিত্র করার লক্ষ্যে শরিয়তের সঠিক নিয়মে যাকাত গণনা করে তা গরিব-দুঃখীদের মাঝে বণ্টন করে দেওয়া একটি অন্যতম ঈমানী দায়িত্ব।



গ্রো কেয়ার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url