হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার সহজ উপায় ও গুরুত্ব জানুুন
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
প্রিয় পাঠক- আসসালামু আলাইকুম, নারীদের ব্যবহারের বিভিন্ন বস্তুর মধ্যে পছন্দের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে, স্বর্ণের অলংকার- এতে কোন সন্দেহ নেই। দাম যতই বাড়ুক, স্বর্ণের অলংকারের চাহিদা কখনও কমে না। বিয়ে, বিভিন্ন উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠান সবক্ষেত্রেই স্বর্ণের অলংকার যেন অপরিহার্য।
আর এটি আসল না নকল অথবা হলমার্ক করা স্বর্ণ আছে কিনা তা জানা খুবই জরুরি। তাই আজকে আমাদের আর্টিকেলটিতে আলোচনার বিষয় হচ্ছে, ‘হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার সহজ উপায় ও গুরুত্ব জানুুন’।
পেজ সূচিপত্রঃ হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার সহজ উপায় ও গুরুত্ব জানুুন
- হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার সহজ উপায় ও গুরুত্ব জানুুন
- স্বর্ণের হলমার্ক বলতে কি বুঝায়?
- হলমার্ক স্বর্ণ চেনার উপায় বাংলাদেশ
- হলমার্ক করা খাঁটি স্বর্ণ চেনার উপায়সমূহ জানুন
- ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ সম্পর্কে জানুন
- ২২ ক্যারেট স্বর্ণ সম্পর্কে জানুন
- ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ সম্পর্কে জানুন
- হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার গুরুত্ব
- সিটি গোল্ড চেনার উপায়
- প্রশ্ন ও উত্তরঃ হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার সহজ উপায়
- পোস্টের শেষ-কথা
হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার সহজ উপায় ও গুরুত্ব জানুুন
হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার সহজ উপায় ও গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা আগে আমাদের একটু স্বর্ণের বর্তমান অবস্থা জানা জরুরি। বিশ্বে অর্থনৈতিক অস্থিরতায় স্বর্ণের দাম গত নভেম্বর থেকে ঊর্ধ্বমুখী। শিগগিরই দাম কমবে, সেই সম্ভাবনাও নেই। মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যাংকে টাকা রেখে তেমন মুনাফা মিলছে না। শেয়ারবাজার মন্দা। ফলে বিয়ে-শাদির মতো অনুষ্ঠান ছাড়া শুধু বিনিয়োগের জন্য স্বর্ণের অলংকার কেনার পরিকল্পনা করছেন অনেকে। তার কারণ, ভালো মুনাফা।
বিনিয়োগ, উপহার কিংবা ব্যবহার- যে জন্যই স্বর্ণের অলংকার কিনছেন, তাতে ঠকছেন না তো। এমন প্রশ্নের কারণ, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি হলমার্ক করা স্বর্ণের অলংকার বিক্রি বাধ্যতামূলক করলেও তা অনেক জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানই মানছে না।
হলমার্ক হচ্ছে অলংকারে ব্যবহৃত স্বর্ণের গুণগত মান, যা লেজার মেশিন দিয়ে অলংকারের গায়ে খোদাই করে লেখা থাকে। স্বর্ণের বিশুদ্ধতার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো হলমার্ক। বাংলাদেশে সাধারণত ২২- ক্যারেট (৯১.৬%) ও ২১- ক্যারেট (৮৭.৫%) স্বর্ণ জনপ্রিয়। হলমার্ক ছাড়া গহনা কেনা এক প্রকার ঝুঁকিপূর্ণ।
তাই আজকে আমরা হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার সহজ উপায় ও গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করবো।
স্বর্ণের হলমার্ক বলতে কি বুঝায়?
হলমার্কিং হল সঠিক নির্ধারণ এবং মূল্যবান ধাতু নিবন্ধে বহুমূল্য ধাতু আনুপাতিক বিষয়বস্তুর আধিকারিক রেকর্ডিং। এইভাবে হলমার্ক হল সরকারী বিশুদ্ধতার একটি গ্যারান্টি বা মূল্যবান ধাতু প্রবন্ধে অনেক দেশে ব্যবহৃত সূক্ষ্মতার চিহ্ন।
বর্তমানে বাংলাদেশে- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটে স্বর্ণের অলংকার তৈরি হয়। ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ বিশুদ্ধ স্বর্ণ থাকে। আর ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক ৫ ও ১৮ ক্যারেটে বিশুদ্ধ স্বর্ণ পাওয়া যায়।
বিদেশে তৈরি স্বর্ণের অলংকারের গায়ে হলমার্ক হিসেবে ৯১৬, ৮৭৫ ও ৭৫০ খোদাই করা থাকে। কোনো অলংকারে ৯১৬ লেখা থাকার অর্থ সেটি ২২ ক্যারেটের। ৮৭৫ মানে ২১ ক্যারেট আর ৭৫০ মানে হচ্ছে ১৮ ক্যারেট।
আমাদের দেশে বাংলা গোল্ড ও ঢাকা গোল্ড নামে দুটি প্রতিষ্ঠান স্বর্ণের অলংকার হলমার্ক করে থাকে। জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান কারিগর দিয়ে অলংকার তৈরির পর তা বাংলা গোল্ড বা ঢাকা গোল্ডে পাঠায়।
তারা সেগুলো পরীক্ষা করে অলংকারে লেজার দিয়ে ২২ বা ২১ ক্যারেট খোদাই করে দেয়। তার সঙ্গে অনেক সময় অলংকারের গায়ে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের পুরো নাম বা আদ্যাক্ষরও থাকে।
আরো পড়ুনঃ প্রতিদিন মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুফল ও কুফল কি? // In Daily Life
হলমার্ক স্বর্ণ চেনার উপায় বাংলাদেশ
খাঁটি স্বর্ণ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে হলমার্ক। আপনি যে গহনা কিনছেন, সেখানে হলমার্ক চিহ্ন আছে কিনা সেটি আগে দেখে নিন। এই হলমার্ক চিহ্ন সাধারণত অলংকার বা গহনার ভেতরের অংশে, চেইনের ক্ল্যাপে বা আংটির ভেতরে স্পষ্টভাবে খোদাই করা হলমার্ক লোগো, BIS লোগো বা নির্দিষ্ট মানের ছাপ ভেতরের দিকে থাকে।
যেমন, ২২ ক্যারেট বা ২১ ক্যারেট স্বর্ণ হলে সাধারণত ৯১৬ (৯১.৬% স্বর্ণ) বা ৮৭৫ (৮৭.৫% স্বর্ণ) লেখা থাকে এবং একটি অনন্য HUID নম্বর অন্তর্ভুক্ত থাকে।
আবার প্রতিটি আধুনিক হলমার্ক স্বর্ণে একটি ইউনিক ৬-সংখ্যার আলফানিউমেরিক কোড থাকে, যা অনলাইনে যাচাই করা সম্ভব। তাছাড়া ক্যারেট অনুযায়ী ২৪, ২২ বা ১৮ নম্বর লেখা থাকে। নম্বর বেশি মানে স্বর্ণের গুণগত মান তত ভালো।
হলমার্ক করা খাঁটি স্বর্ণ চেনার উপায়সমূহ জানুন
আমাদের দেশে সাধারণত খাঁটি স্বর্ণ চেনার বেশ কয়েকটি উপায় বা কৌশল রয়েছে। যেমন-
- হলমার্কঃ খাঁটি স্বর্ণ চেনার উপায়সমূহের মধ্যে হলমার্ক হলো স্বর্ণের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে সহজ উপায়। আপনি যখন স্বর্ণ কিনবেন তখন প্রথমে হলমার্ক দেখে নিন। এই হলমার্ক চিহ্ন সাধারণত অলংকার বা গহনার ভেতরের অংশে, চেইনের ক্ল্যাপে বা আংটির ভেতরে স্পষ্টভাবে খোদাই করা হলমার্ক লোগো, BIS লোগো বা নির্দিষ্ট মানের ছাপ ভেতরের দিকে থাকে। এতে ক্যারেট অনুযায়ী ২৪, ২২ বা ১৮ নম্বর লেখা থাকে। নম্বর বেশি মানে সোনার গুণগত মান তত ভালো।
- অ্যাসিড বা রসায়নিক টেস্টঃ হলমার্ক ছাড়াও খাঁটি স্বর্ণ চেনার আরও একটি উপায় হলো অ্যাসিড বা রসায়নিক টেস্ট। কারণ, খাঁটি স্বর্ণ নাইট্রিক অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না। অল্প পরিমাণ নাইট্রিক অ্যাসিড ড্রপারের সাহায্যে অলংকার বা গহনার ওপর ফেলুন। যেখানে অ্যাসিড পড়ল সেই জায়গাটি সবুজ হয়ে গেলে বুঝবেন সেটি আসল স্বর্ণ নয়।
- চুম্বক পরীক্ষাঃ চুম্বক পরীক্ষা করেও খাঁটি স্বর্ণ চেনা যায় অর্থাৎ স্বর্ণ খাঁটি নাকি অন্য কোনো ধাতু মেশানো আছে সেটা জানা যায়। আপনার কেনা স্বর্ণের অলংকার বা গহনা চুম্বকের কাছাকাছি নিয়ে যান। যদি দেখেন যে স্বর্ণ চুম্বকের সঙ্গে আটকে যাচ্ছে না তাহলে বুঝবেন যে স্বর্ণ খাঁটি। কারণ চুম্বক স্বর্ণ আকৃষ্ট করে না।
- পানি দিয়ে পরীক্ষাঃ পানি দিয়ে খাঁটি স্বর্ণ পরীক্ষা করার জন্য একটি বড় গামলায় দুই গ্লাস পানি নিন। তাতে স্বর্ণের অলংকার ফেলে দেখুন সেটা ভাসছে কিনা। যদি ভাসে তা হলে বুঝতে হবে সেটা নকল। খাঁটি স্বর্ণ জলে তাড়াতাড়ি ডুবে যায়।
- চিনামাটির প্লেট পরীক্ষাঃ খাঁটি স্বর্ণ চেনার জন্য একটি চিনামাটি বা সেরামিকের প্লেট নিন। এবার তার ওপর দিয়ে স্বর্ণের বাট, কয়েন বা গয়না যেটাই কিনে থাকুন, সেটি আস্তে আস্তে ঘষুন। যদি দেখেন প্লেটের ওপর কালচে দাগ পড়ছে তাহলে বুঝবেন যে স্বর্ণ কিনেছেন সেটি আসল নয়।
- স্বর্ণের রং -চেহারাঃ স্বর্ণের রং -চেহারা দেখেও খাঁটি স্বর্ণ চেনা যায়। এর রং সাধারণত গাঢ় হলুদ রঙের হয়ে থাকে। রং অনেক উজ্জ্বল বা কম হলুদ লাগলে হয়তো মিক্স বেশি থাকতে পারে। আলোর নিচে ধরে দেখতে পারেন। খাঁটি স্বর্ণ প্রতি দিক থেকে একই রং দেখায় কি না; যদি কোনো অংশে অন্য ধাতুর ছাপ পাওয়া যায় তাহলে সন্দেহ থাকবেই।
- নরমতা পরীক্ষাঃ খাঁটি স্বর্ণ তুলনামূলক নরম হয়। নখ দিয়ে চাপ দিলে সামান্য চিহ্ন পড়ে। ইমিটেশন গয়না শক্ত এবং এতে চিহ্ন পড়ে না।
যদি খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারেন তাহলে একজন স্বর্ণাকারের দোকানে নিয়ে গিয়ে পরিক্ষা করবেন।
২৪ ক্যারেট স্বর্ণ সম্পর্কে জানুন
২৪ ক্যারেট স্বর্ণ বলতে ১০০ শতাংশ খাঁটি স্বর্ণ। যেখানে অন্য কোনো ধাতু মেশানো হয় না। আর এটাই হচ্ছে স্বর্ণের বিশুদ্ধতম রূপ। ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ নমনীয় হয়ে থাকে। তাই গয়না তৈরিতে ব্যবহার করা হয় না বললেই চলে। বিনিয়োগের উদ্দেশ্যেই এতে টাকা ঢালা হয়। তবে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের কয়েন, বার এবং ইলেকট্রনিক্স এবং মেডিকেল ডিভাইস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
২২ ক্যারেট স্বর্ণ সম্পর্কে জানুন
২২ ক্যারেট স্বর্ণ অলংকার বা গহনা তৈরিতে ব্যবহার হয়ে থাকে। এটি ৯১.৬৭ শতাংশ খাঁটি স্বর্ণ হিসেবেও পরিচিত। এতে রূপা, দস্তা, নিকেল এবং অন্যান্য মিশ্র ধাতু মেশানো হয়। মিশ্র ধাতুর উপস্থিতি এটিকে আরও শক্ত করে তোলে। যা অনেক টেকসই হয়ে থাকে।
১৮ ক্যারেট স্বর্ণ সম্পর্কে জানুন
১৮ ক্যারেট স্বর্ণে ৭৫ শতাংশ স্বর্ণ আর বাকি ২৫ শতাংশ অন্যান্য ধাতু যেমন - তামা, রুপা মেশানো হয়। এই ধরনের স্বর্ণ পাথর খচিত অলংকার এবং অন্যান্য হিরের অলংকার তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ২২ বা ২৪ ক্যারেটের চেয়ে শক্তিশালী। এর ওজন কম হওয়ায় প্রচলিত অলংকার তৈরি এবং সাধারণ নকশা তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার গুরুত্ব
হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে কারণ, এতে প্রতারণা রোধ করে, স্বর্ণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে এবং সর্বোচ্চ রিসেল ভ্যালু বা পুনঃ বিক্রয় মূল্য (Resale Value) প্রদান করে। হলমার্ক করা স্বর্ণ কেনা একটি বিনিয়োগ হিসেবে নিরাপদ যা এর গুণমান নিশ্চিত করে।
স্বর্ণের অলংকার বা গহনার ভেতরের দিকে BIS হলমার্ক লোগো, ক্যারেট (যেমন: ২২K), এবং মেটাল কম্পোজিশন বা ৬ ডিজিটের আলফানিউমেরিক কোড দেখে সহজেই চেনা যা।
তাছাড়া, হলমার্ক করা স্বর্ণ কেনা মানে সঠিক ও খাঁটি পণ্য পাওয়ার গ্যারান্টি, যা স্বর্ণের অলংকার বা গহনা বা বার কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।
সিটি গোল্ড চেনার উপায়
সিটি গোল্ড হলো স্বর্ণের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত একটি Base Metal Alloy, যা দেখতে সোনার মতো হলেও এটি সাধারণত তামা, পিতল বা অন্যান্য ধাতুর মিশ্রণে তৈরি হয় এবং এর উপর সোনালী প্রলেপ (Gold Plating) দেওয়া হয়। তবে এটি চেনার কিছু উপায় রয়েছে, যেমন-
- রং বা কালার দেখে চেনাঃ সিটি গোল্ড স্বর্ণের অলংকার বা গহনার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এটি দেখতে অনেকটা স্বর্ণের মতো হলেও সোনার চেয়ে কম উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে। তাছাড়া, সিটি গোল্ড বেশি দিন ব্যবহার করার ফলে গায়ের Surface Coating কিছুটা চটে যায় বা কালচে হয়ে যায়। স্বর্ণ উজ্জ্বল হলুদ এবং আলোতে ঝকঝকে প্রতিফলন করে। সিটি গোল্ডের রং কিছুটা Matte Finish বা কম উজ্জ্বল হয়।
- ঘষা দিয়ে চেনাঃ সিটি গোল্ড ঘষা দিলে এটির উপর থেকে হলুদ সোনালী প্রলেপটি উঠে যাবে। কারণ সিটি গোল্ডের সাধারণত পরবর্তীতে সোনালী বা হলুদ রং করা হয়ে থাকে।
- ম্যাগনেট পরীক্ষাঃ স্বর্ণ একটি Non-magnetic ধাতু, অর্থাৎ এটি চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না। অন্যদিকে, সিটি গোল্ডে প্রায়ই লোহা বা অন্যান্য চৌম্বকীয় ধাতু মিশ্রিত থাকে, যা চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হতে পারে।
- অ্যাসিড বা রসায়নিক পরীক্ষাঃ অ্যাসিড টেস্ট সিটি গোল্ড চেনার একটি নির্ভরযোগ্য Verification Method। স্বর্ণ অ্যাসিডের সাথে প্রতিক্রিয়া করে না, কিন্তু সিটি গোল্ডের প্রলেপ অ্যাসিডে দ্রবীভূত হতে পারে।
প্রশ্ন ও উত্তরঃ হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার সহজ উপায়
পোস্টের শেষ-কথাঃ
পরিশেষে, ‘হলমার্ক করা স্বর্ণ চেনার সহজ উপায় ও গুরুত্ব জানুুন’ শিরোনামের আর্টিকেলটি আলোচনা করে আমরা বলতে পারি যে, খাঁটি স্বর্ণ কেনার আগে আপনাকে অবশ্যই অলংকার বা গহনার গায়ে হলমার্ক দেখে নিবেন। পাশাপাশি আর্টিকেলটিতে উল্লেখিত অন্যান্য পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে যাচাই করে নিবেন। তবে বিশেষ পরামর্শ হলো যখনই আপনারা স্বর্ণের অলংকার বা গহনা কিনবেন- অবশ্যই বিএসটিআই (BSTI) বা অনুমোদিত হলমার্কিং সেন্টারের সনদপ্রাপ্ত দোকান থেকে কিনবেন।
তাছাড়া ক্রয়ের রশিদটি অবশ্যই সংগ্রহ করে রাখবেন। পরবর্তীতে আপনার কাজে লাগবে।



গ্রো কেয়ার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url